ad
ad

Breaking News

Foreigner arrested from Kolkata

পাঁচ বছর ধরে বেআইনিভাবে শহরে বিদেশিনি! কলকাতার স্পা সেন্টারে পুলিশের হানা

একটি স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে বিশেষ তদন্তকারী দল

Foreigner arrested from Kolkata Thai National Arrested

চিত্র- AI

AK Bangla Desk: ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে প্রায় পাঁচ বছর আগে। পাসপোর্টও আর বৈধ নয়। তা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে কলকাতায় বসবাস করার অভিযোগে তাইল্যান্ডের এক মহিলাকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। রবিবার শরৎ বোস রোডের একটি স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে বিশেষ তদন্তকারী দল। পুলিশ সূত্রে খবর, বৈধ অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশি নাগরিক শহরে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে জুলাই মাসে কলকাতা পুলিশের তরফে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্যরা রবিবার বিকেল প্রায় ৫টা নাগাদ ১৫সি শরৎ বোস রোডের ওই স্পা সেন্টারে হানা দেন।

সেখান থেকেই এম সানসুকনিউয়াত নামে এক মহিলাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে তাইল্যান্ডের নাগরিক এবং ব্যাঙ্ককের বাসিন্দা বলে জানান। তবে গত কয়েক বছর ধরে কলকাতার তিলজলা থানা এলাকার চৌবাঘা রোডে তিনি থাকছিলেন বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। পুলিশের দাবি, ভারতে বসবাসের বৈধ অনুমতি সংক্রান্ত কোনও কার্যকর নথি তিনি দেখাতে পারেননি। তাঁর কাছে থাকা তাইল্যান্ডের পাসপোর্টটি ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৈধ ছিল। অর্থাৎ, পাসপোর্টটির মেয়াদ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। পর্যটন ভিসার মেয়াদ আরও আগে শেষ হয়ে যায়। ওই ভিসা ২০২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৈধ ছিল। ফলে অভিযোগ, ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বৈধ অনুমতি ছাড়াই ভারতে বসবাস করছিলেন।

আটকের পর মহিলা পুলিশের সহায়তায় তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তাঁকে টালিগঞ্জ মহিলা থানায় রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে তাঁর উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার তাঁকে কলকাতার ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে হাজির করানোর কথা। কী কারণে তিনি এত দিন ভারতে ছিলেন, কোথায় কোথায় কাজ করেছেন এবং তাঁকে থাকার ক্ষেত্রে কেউ সাহায্য করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। একই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন এলাকায় আরও কোনও বিদেশি নাগরিক মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা কিংবা বৈধ নথি ছাড়া বসবাস করছেন কি না, তা জানতে তল্লাশি জোরদার করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল।