ad
ad

Breaking News

Debasish Kumar

দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর হানা নিয়ে কমিশনকে চিঠি তৃণমূলের

কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে 'অতি তৎপরতা' ও আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস

Debasish Kumar TMC Moves EC Over IT Search

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: নির্বাচনের ঠিক মুখে রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী তথা বর্ষীয়ান নেতা দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দপ্তরের ম্যারাথন তল্লাশি ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল রাজ্য রাজনীতি। টানা ১৫ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের পর এবার কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে ‘অতি তৎপরতা’ ও আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস।

শুক্রবার সকাল থেকে দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও তাঁর নির্বাচনী কার্যালয় আয়কর আধিকারিকদের দখলে ছিল। বাইরে মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া প্রহরা। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ, কোনো আইনি বৈধতা ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এভাবে ১৫ ঘণ্টা আটকে রেখে হেনস্তা করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, মনোনয়ন পেশের সময় প্রতিটি প্রার্থী তাঁদের সম্পত্তির হলফনামা কমিশনে জমা দেন। দেবাশিস কুমারও তার ব্যতিক্রম নন। তাসত্ত্বেও ভোটের ঠিক আগে কেন এভাবে তড়িঘড়ি তল্লাশি চালানো হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।

নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে তৃণমূল উল্লেখ করেছে যে, আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন কোনো কেন্দ্রীয় এজেন্সি কোনো রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিকে বাড়তি সুবিধা বা অসুবিধা দিতে পারে না। এটি পরিষ্কারভাবে নির্বাচনী নিয়মাবলির পরিপন্থী। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ভোটের আবহে এই ধরনের অভিযান আসলে প্রার্থীর মনোবলে ধাক্কা দেওয়ার একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত।

এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “ভোটের আগে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে লেলিয়ে দিয়ে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের হেনস্তা করাই একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বাংলার মানুষ এই একই চিত্র দেখেছিল। এবারও কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে মনোবল ভাঙার চেষ্টা হচ্ছে। আমরা এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও আয়কর দপ্তরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

ভোটের উত্তাপে এই আয়কর হানা এবং তার পাল্টা হিসেবে কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা আগামী দিনের লড়াইকে আরও তিক্ত করে তুলবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এজেন্সির এই ‘সক্রিয়তা’ ভোটারদের মনে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।