ad
ad

Breaking News

Suvendu Adhikari

পাহাড় থেকে সুন্দরবন, মোতায়েন ২০০ ‘বীর’! বিপর্যয় মোকাবিলায় এনডিআরএফের আদলে তৈরি ‘অর্জুন বাহিনী’

চাকরি পাবেন প্রাক্তন জওয়ান ও অগ্নিবীরেরা! রাজ্যজুড়ে নতুন বাহিনীর সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী!

Suvendu Adhikari Launches Arjun Bahini Disaster Response Force

চিত্র- সংগৃহীত

AK Bangla Desk: প্রাকৃতিক ও অন্যান্য বিপর্যয় দ্রুত সামাল দিতে রাজ্যে সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচের বিশেষ বাহিনী গড়ে তুলল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে ‘অর্জুন বাহিনী’ নামের এই নয়া বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারাতলা কাণ্ডের পর শিক্ষা নিয়েই রাজ্যজুড়ে এই ধরনের উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন এবং সুপ্রশিক্ষিত বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ২০০ জন সদস্যকে নিয়ে যাত্রা শুরু করছে এই ‘অর্জুন বাহিনী’। এর মধ্যে কলকাতা শহরের জন্য ১০০ জন, পাহাড়ি অঞ্চলের সুবিধার্থে ৫০ জন এবং সুন্দরবনের দুর্গম উপকূলে ৫০ জন সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে।

শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, মূলত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত জওয়ান এবং ‘অগ্নিবীর’দের যুক্ত করেই এই বিশেষ অর্জুন বাহিনী তৈরি করা হচ্ছে। বাহিনীর প্রধান বা ‘বীর নায়ক’কে সাম্মানিক হিসেবে প্রতি মাসে দেওয়া হবে ৪০ হাজার টাকা। অন্যদিকে বাহিনীর সাধারণ সদস্য বা ‘বীর’দের মাসিক বেতন ধার্য করা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। একইসঙ্গে এই সাম্মানিক বেতনে প্রতি বছর ৩ শতাংশ হারে বৃদ্ধি সুনিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিকূল ও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে জীবন বাজি রেখে কাজ করার ক্ষেত্রে জওয়ানদের ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে বিশেষ আর্থিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করেছে সরকার। কর্তব্যরত অবস্থায় গুরুতর আহত বা প্রাণহানি ঘটলে দেওয়া হবে ১০ লক্ষ টাকা এবং কোনও সদস্য স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে মিলবে ৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য।

নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “অন্যান্য রাজ্য এবং জাতীয় স্তরের এনডিআরএফ (NDRF)-এর ধাঁচেই সম্পূর্ণ আধুনিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম সমৃদ্ধ বাহিনী গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। সেই মতো আজ আনুষ্ঠানিকভাবে অর্জুন বাহিনীর সূচনা হল।” আগামী দিনে কেবল কলকাতা, পাহাড় বা সুন্দরবনই নয়, দিঘা, মন্দারমণি এবং তারাপীঠের মতো রাজ্যের প্রধান প্রধান জনবহুল পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় অর্জুন বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হবে।

পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্সের পাশাপাশি অগ্নিবীরদের এই কাজে যুক্ত করা হলে বিপর্যয় মোকাবিলা ব্যবস্থা আরও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন তিনি। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এনডিআরএফ-এর মতো আরও বিশাল কলেবরে ও আধুনিক প্রযুক্তিতে অর্জুন বাহিনীকে ঢেলে সাজানোর বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।