ad
ad

Breaking News

SSC Class 11 12 Teacher Merit List

প্রকাশিত একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পূর্ণাঙ্গ মেধা তালিকা, কবে থেকে কাউন্সেলিং? কারা পেলেন জায়গা?

প্রায় ১০ হাজার এমন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন, যারা এর আগে চাকরি হারালেও মেধার ভিত্তিতে পুনরায় তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।

SSC Class 11 12 Teacher Merit List

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগের পূর্ণাঙ্গ মেধাতালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। বুধবার রাতে কমিশনের ওয়েবসাইটে এই তালিকা আপলোড করা হয়। প্যানেল এবং ওয়েটিং লিস্ট মিলিয়ে মোট ১৮ হাজার ৯০০ জনের নাম এই তালিকায় স্থান পেয়েছে। প্রকাশিত এই তালিকার দিকে বিশেষ নজর ছিল সেইসব শিক্ষকদের, যারা আইনি জটিলতায় চাকরি হারিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, এই ১৮ হাজার ৯০০ জনের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার এমন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন, যারা এর আগে চাকরি হারালেও মেধার ভিত্তিতে পুনরায় তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। দীর্ঘ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে তাদের জীবনে পুনরায় আলোর দিশা মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানান, “ঠিক কতজন যোগ্য চাকরিহারার নাম এই তালিকায় ফিরল, তা বিস্তারিত বিশ্লেষণ ছাড়া এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।”

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো ছিল নিম্নরূপ: শূন্যপদ: ১২,৪৪৫টি।পরীক্ষার তারিখ: ১৪ সেপ্টেম্বর (গত বছর)। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা: ২ লক্ষ ২৯ হাজার ৬০৬ জন। ফলাফল প্রকাশ: ৭ নভেম্বর। মেধাতালিকা প্রকাশের সময়সীমা: ২১ জানুয়ারি। এসএসসি-র চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময় মেনেই বুধবার রাতে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে— কারা নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন (প্যানেলভুক্ত), কাদের নাম অপেক্ষমান তালিকায় (ওয়েটিং লিস্ট) রয়েছে এবং কারা শেষ পর্যন্ত বাদ পড়লেন।

আগামী ২৩ ও ২৬ জানুয়ারির সরকারি ছুটি মিটলে, সম্ভবত ২৭ জানুয়ারি থেকেই যোগ্য প্রার্থীদের কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডাকা শুরু হবে। কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্কুল বাছাই পর্ব শেষ হলেই সরাসরি নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে প্রার্থীদের হাতে। যদিও সুপ্রিম কোর্ট এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ২০২৬ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু রাজ্য সরকার চাইছে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই গোটা প্রক্রিয়াটি শেষ করতে। আইনি জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করাই এখন প্রশাসনের মূল চ্যালেঞ্জ।