চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: দিন চারেক আগেই অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC Case)। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে শনিবার প্রথমে ১ হাজার ৮০৪ জনের তালিকা, এবং পরে সেই তালিকা সংশোধন করে ১ হাজার ৮০৬ জনের তালিকা প্রকাশ করে এসএসসি। সেই তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরই ফের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ‘দাগি অযোগ্য’দের একাংশ।
[আরও পড়ুন: শ্রীসান্থের বিমা বিতর্ক, এনসিডিআরসি-র আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে বিমা কোম্পানি]
তাঁদের আবেদন মূলত দুটি, চাকরি ফেরত এবং পরীক্ষায় বসার আর্জি। মঙ্গলবার সেই চাকরি ফেরতের আর্জি খারিজ করে কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ‘মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। তাই হস্তক্ষেপ নয়।’ অযোগ্যদের তরফে ফের পরীক্ষায় বসার যে আর্জি জানানো হয়েছে, তাতেও বিরক্ত হয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘সব কিছুর সীমা আছে।’
এসএসসি-র প্রকাশ করা ‘অযোগ্য’ তালিকা চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রায় সাড়ে তিনশো ‘দাগি’ শিক্ষক-শিক্ষিকা। তাঁদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, ‘এই মুহূর্তে ১ হাজার ৮০৬ জনের নথি খতিয়ে দেখা সম্ভব নয়।’ এরপরই বিচারপতি প্রশ্ন করেন ‘দাগি’ শিক্ষকরা কি স্কুলে যাচ্ছেন? আইনজীবী অনিন্দ্য লাহিড়ি তার উত্তরে জানান, না। পালটা আবেদনকারীদের প্রশ্ন করেন বিচারপতি, ‘তাহলে আপনারা আগে আদালতে কেন আসেননি? শেষ মুহূর্তে কেন এসেছেন? আপনারা ‘দাগি’ শিক্ষক। এখন পরীক্ষায় বসতে চাইছেন? সব কিছুর একটা সীমা থাকা দরকার।’
FB POST: https://www.facebook.com/share/r/16vPGMhKBG/
এর পরই ‘অযোগ্য’দের আইনজীবী বলেন, ‘অযোগ্যদের তালিকা (SSC Case) এই প্রথম প্রকাশিত হল। আগে হয়নি।’ পালটা প্রশ্ন করেন বিচারপতি, ‘স্কুলে যেতে তো বারণ করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল। তখন পদক্ষেপ করেননি কেন?’ এসএসসি-র আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘যাদের ওএমআর গোলমাল হয়েছে তাঁরাও ‘দাগি’, তাঁরা সবথেকে বড় ‘অযোগ্য’। যারা ব়্যাঙ্ক জাম্প করেছে তাঁরাও ‘দাগি’। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা সব ‘দাগি’দের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া থেকে বিরত করেছি, অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করেছি। এরপরও কেউ যদি থেকে যায় তাহলে নথি যাচাইয়ের সময় বাতিল করা হবে।’
[আরও পড়ুন: BCCI Sponsor: নতুন স্পনসরের জন্য আবেদন প্রকাশ বিসিসিআইয়ের]
এরপরই ‘দাগি অযোগ্য’দের আইনজীবী বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হোক। পরীক্ষায় বসার জন্য অ্যাডমিট পেয়েছি, হঠাৎ তালিকা প্রকাশ করে বলা হল আমি ‘অযোগ্য’।’ তবে স্কুল সার্ভিস কমিশন এদিন আদালতে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অযোগ্যদের অ্যাডমিট বাতিল করা হয়েছে।