চিত্র- সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: মধ্যমগ্রামে প্রশাসনিক আধিকারিকের আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের রহস্যভেদে এ বার বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করা হল। রাজ্য পুলিশ ও সিআইডির দুঁদে আধিকারিকদের নিয়ে এই দল তৈরি করা হয়েছে। তবে তদন্তের গোপনীয়তা রক্ষায় এই দলে ঠিক কতজন সদস্য রয়েছেন বা কারা এই দলের নেতৃত্বে থাকছেন, তা এখনও প্রশাসনের তরফে খোলসা করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার সকালে অকুস্থলে পৌঁছে যান বিএসএফ-এর ডিজি প্রবীণ কুমার। এর আগে বুধবার রাতেই মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে গিয়েছিলেন রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে এক ধাপ এগিয়ে একটি চারচাকা গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ওই গাড়িটির নম্বরপ্লেট শিলিগুড়ির হলেও সেটি ভুয়ো হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু কার্তুজ ও গুলি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা।
সিআইডির গোয়েন্দারাও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছেন। পাশাপাশি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা চন্দ্রনাথের গাড়ির ভেতর থেকে রক্তের নমুনা ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করেছেন। গাড়ির সামনের দুটি আসনেই রক্তের দাগ মিলেছে। বর্তমানে গোটা এলাকাটি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। যশোর রোড সংলগ্ন ওই আবাসনের রাস্তায় কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে, যাতে সাধারণের যাতায়াতে তদন্ত ব্যাহত না হয়।
অন্য দিকে চন্দ্রনাথের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের তরফে তিন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন একজন বিভাগীয় প্রধান ও দুজন সহকারী অধ্যাপক। ময়নাতদন্তের এই প্রক্রিয়াটিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বারাসত হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।