চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: অমর্ত্য সেন বা দেবের পর এবার নির্বাচন কমিশনের ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত শুনানির তালিকায় নাম জড়াল রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজার। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই রাজনীতিক তথা জনপ্রতিনিধিকে রবিবার দুপুরে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের এই তালিকায় নাম থাকা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে (Shashi Panja)।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় শশী পাঁজার নাম থাকলেও বর্তমান খসড়া তালিকায় তাঁর নাম খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, বিএলও (BLO) অ্যাপের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই বিভ্রাট ঘটেছে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিন ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে তাঁর নাম ‘অসঙ্গতি’র তালিকায় চলে এসেছে। রবিবার দুপুর ২টো নাগাদ শশী পাঁজাকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে এই যান্ত্রিক ত্রুটি সংশোধন করা হবে।
শুনানির ডাক পেয়ে অবাক হয়ে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা (Shashi Panja)। তিনি বলেন, “আমার ২০০২ সালের তালিকায় নাম রয়েছে। তবে, নির্বাচন কমিশন হুড়োহুড়ি করে এসআইআর-এর কাজ করছে। সেই কারণে অ্যাপে রয়েছে প্রচুর গলদ। এই কারণে দেখা গেল, ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকলেও আমার নাম অ্যাপে নেই। তারা হয়ত ভেবেছেন আলাদাভাবে আমার শুনানি করে দেবেন। কিন্তু আমি নিজেই বলেছি, অন্য সাধারণ মানুষ যেভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে যান, কাজ সম্পন্ন করেন আমিও সেই একইভাবে কাজ করব। লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সির জন্য খুবই তো হেনস্থা হচ্ছে। এর জন্য কমিশন দায়ী।”