Bangla jago Desk: শিয়ালদা-রানাঘাট রেলওয়ের ১৬২বছর উদযাপন করল রেল প্রশাসন। গণপরিবহণের লাইফলাইনকে শক্তিশালী করার ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন রেলের কর্তারা। নিয়মানুবর্তিতাও পরিচ্ছন্নতায় গুরুত্ব দেন তাঁরা। ২অক্টোবর গান্ধীজন্মজয়ন্তীতে রেলের তরফ থেকে স্বচ্ছতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে বলে রেল আধিকারিকরা জানিয়েছেন।
শিয়ালদা ডিভিশনের শিয়ালদা-রানাঘাট লাইনের ১৬২বছর উদযাপন করা হল। ইতিহাস বলছে,১৮৬২-র সেপ্টেম্বরে এই পরিষেবার সূচনা হয়। শিয়ালদা উত্তরের ব্যস্ততম এই রেললাইনে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। প্রাথমিকভাবে এই রেলপথ সংযোজনের উদ্দেশ্য ছিল পাটশিল্পকে চাঙ্গা করা। বাংলায় পাটজাত শিল্পের -প্রসারের লক্ষ্যে এই গণপরিবহণের লাইফলাইনকে শক্তিশালী করে।
পাটশিল্পের বিকাশও বিবর্তনের জন্য এই রেলপথ উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা নেয়। কৃষিও কৃষকের উৎপাদিত পণ্য পরিবহণে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তা সহজ ও সার্থক হয়। তাই শিয়ালদা-রানাঘাট রুটের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে স্মরণ করে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে রেলের কর্তারা জানান। উল্লেখ্য, ১৯৬৩তে শিয়ালদা-রানাঘাট অংশে বিদ্যুতায়ন হয়। তারপর ধীরে ধীরে এই শিয়ালদা-রানাঘাট লাইনে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ে। বর্তমানে এই লাইনে ২৫টি স্টেশন রয়েছে।
পাট শিল্পের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করা এই গুরুত্বপূর্ণ রেললাইনের বিবর্তন অনেকটাই হয়েছে। এখন দ্রুত গতির ট্রেন এই পথ দিয়ে বেশি যায়। ব্যস্ততা বেড়েছে। রুটি-রুজির জীবন চক্রে জড়িত লক্ষ লক্ষ মানুষের আসা-যাওয়ার একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে এই রেলপথ। তাই ইতিহাসের পাতায় চোখ রেখে রেলের কর্তারা এই রেলের বিস্তার চান।নিয়মানুবর্তিতাও স্বচ্ছতার আবহ বজায় রাখার জন্য রেল প্রশাসন রেলের যাত্রীদের আবেদনও করছেন। সেজন্য গান্ধীজির জন্মদিনে রেল প্রশাসন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। রেলযাত্রীদের স্বার্থে শিয়ালদা ডিভিসনে নানা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে বলে রেলের আধিকারিকরা স্পষ্ট করেছেন।