চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের ভাগ্য ঝুলছিল বুধবারের কলকাতা হাই কোর্টের রায়ের ওপর। সেই রায় দানের পর স্বস্তিতে চাকরিহারারা। কলকাতা হাই কোর্ট চাকরি বাতিলের নির্দেশ খারিজ করে চাকরি বহালের নির্দেশ দিয়েছে। প্রাথমিকের জট কাটার পর এবার সবার নজরে SSC। যোগ্যদের নিয়োগপত্র দেওয়াই এখন লক্ষ্য। এদিন পর্ষদ সভাপতিকে পাশে রেখে সেকথাই জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Primary Teachers Verdict)।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমাদের এখন কাজ SSC-র যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকরা যাতে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতার সঙ্গে চাকরি ফিরে পান, তা সুনিশ্চিত করা। গত ৫ বছর ধরে আমাদের দপ্তরের সঙ্গে কোর্ট, কাছারি, বিরোধীদের আক্রমণ নিয়ে কাজ করেছি। প্রাথমিকের পর এসএসসির যোগ্য চাকরিহারাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিতে পারি তাহলে আমাদের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে। তাহলে খুব নিশ্চিন্ত মনে আমাদের রাজনৈতিক দল আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে।”
৩২ হাজারের চাকরি খারিজের নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন বিচারপতি তথা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সে প্রসঙ্গ টেনে বুধবার ব্রাত্য বসু দাবি করেন, “অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় পক্ষপাতদুষ্ট কিনা, তা মানুষ বিচার করবে (Primary Teachers Verdict)।”
এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলাকারীদের একাংশ সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সে প্রসঙ্গে ব্রাত্য বলেন, “আদালতে যাওয়ার অধিকার সকলের আছে। কেবল সংকীর্ণ রাজনৈতিক দিক থেকে সব কিছু ভাবা উচিত নয়। কারণ, যাঁরা চাকরি পেলেন তাঁরা বাংলারই ছেলে।”
তিনি আরও বলেন, “কী মিথ্যা, কী সত্য হল বলতে পারব না। তবে যাঁরা মানসিক যন্ত্রণায় ছিলেন তাঁরা মাথা উঁচু করে সর্বত্র যেতে পারবেন তাতেই খুশি।”