চিত্র : সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি তুঙ্গে। রেডরোডে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ শোভাযাত্রার। সাধারণ মানুষের ঢল নামবে রাজপথে। নিরাপত্তার নজরদারিতে থাকবে ২২জন ডিসি সহ ২হাজার ৩০০-র মতো পুলিশ কর্মী। একাধিক পয়েন্টে থাকবে নাকা চেকিং। বাংলাদেশে অস্থিরতার কথা মাথায় রেখে সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নজরদারি।
জাতির জীবনে বড় গৌরবের দিন-২৬জানুয়ারি। আমাদের কাছে এই দিনটি সাধারণতন্ত্র দিবস হিসেবে স্বীকৃত। এবার কড়া নিরাপায় সেই সাধারণতন্ত্র দিবস পালনের তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে। রেডরোডে বিশেষ কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছে। রাজপথে মানুষের ঢল নামবে বলে আশা। গোটা দেশের মতো বাংলাতেও নিরাপত্তার বহর বাড়ানো হয়েছে।রাজভবন,শহিদ মিনার সহ বিভিন্ন জায়গার মতোই কলকাতার সংবেদনশীল জায়গায় কড়া নজরদারি রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে অস্থিরতা বাড়ায় এপার বাংলায় ধরা পড়েছে কয়েকজন জঙ্গি। ক্যানিং-মুর্শিদাবাদে ধরা পড়ে জঙ্গি। সেজন্য এবারও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে কলকাতাকে। কলকাতা জুড়ে দু’হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে রাজপথে।
রবিবার শহরে ভিভিআইপিরা যেমন থাকবেন তেমন সাধারণ মানুষেরও ঢল নামবে। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, সাধারণতন্ত্র দিবসে ২২ জন ডিসি–সহ ২ হাজার ৩০০ ফোর্স মোতায়েন থাকবে শহরের রাজপথে। একাধিক পয়েন্টে হবে নাকা চেকিং। হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলিতে বাড়তি নজর রাখা হচ্ছে পুলিশের তরফে। রেড রোডে কুচকাওয়াজে হাজির থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।থাকতে পারেন, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এবং প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। রেডরোডে বসানো হয়েছে ১১টি ওয়াচ টাওয়ার।
অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শহরের ২২টি স্পেশ্যাল জোনে পৃথকভাবে নজরদারি চালানো হবে। যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়। সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন জেলা থেকেও মানুষজন আসেন কলকাতা শহরে। তবে কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের জন্য ২৬ জানুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টা থেকে কলকাতার নানা রাস্তা বন্ধ থাকবে। কুচকাওয়াজ শেষ হলেই ওই রাস্তা খুলে দেওয়া হবে। ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে খবর, সাধারণতন্ত্র দিবসে হসপিটাল রোড, খিদিরপুর রোড, ডাফলিন রোড, আউটট্রাম রোড, এসপ্ল্যানেড র্যাম্প সহ বিভিন্ন রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে।