ad
ad

Breaking News

Ganga pollution

গঙ্গা দূষণ রোধে নজর পুরসভার,প্রতিমা জলে পরলেই তোলা হচ্ছে

গঙ্গার দূষণ রোধে সজাগ পুরসভা। প্রতিমা জলে পরলেই তা তুলে ফেলার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাজা কদম তলা ঘাট পরিদর্শন করে একথা জানান মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

Nazar municipality to prevent Ganga pollution

Bangla jago Desk: গঙ্গার দূষণ রোধে সজাগ পুরসভা। প্রতিমা জলে পরলেই তা তুলে ফেলার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাজা কদম তলা ঘাট পরিদর্শন করে একথা জানান মেয়র ফিরহাদ হাকিম। একইসঙ্গে তিনি,পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ক্রেন দিয়ে প্রতিমা তোলা হচ্ছে, ৯৭০টির কাছে প্রতিমা বিসর্জনের কথা রয়েছে। এমনকি কার্নিভালে যে শতাধিক প্রতিমা অংশ নেবে তারা বাজা কদমতলা ঘাটে বিসর্জন করবে।

[আরও পড়ুনঃ টিকটিকি ভেবে কুমির পালন! ভুল ভাঙার পর যা হল…

প্রতিমার সিসা সহ কিছু রংয়ের রাসায়নিক উপকরণ গঙ্গার জলদূষণের কারণ হয়। তাই পুজোর পর গঙ্গায় যে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়,সেই প্রতিমা নিরঞ্জনে সবসময়ে সতর্কতা অবলম্বন করে পুরসভা। পরিবেশ রক্ষার স্বার্থেও জলদূষণ দূরে রাখার জন্য প্রতিমা জলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা তুলে ফেলা হয়। ক্রেন দিয়ে প্রতিমা তোলার সুব্যবস্থা করা হয়েছে। রবিবার বাজা কদমতলা ঘাট পরিদর্শন করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।তিনি স্পিডবোটে গঙ্গার ঘাট ঘুরে দেখেন। ছিলেন পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকরাও। গঙ্গাকে বাঁচিয়ে স্রোতসিনীর ধারা অব্যাহত রেখে বিসর্জন পর্ব সাঙ্গ করার কথাই  ফুটে ওঠে মহানাগরিকের কথায়। বিগত বছর গুলোতে প্রতিমা নিরঞ্জনে যে সতর্কতাও পরিবেশপ্রেমী পদক্ষেপ নেওয়া হল পুরসভার টিম সেই সবদিকে নজর রাখছে।গঙ্গার ঘাটগুলোতে স্পেশাল টিম পুরো কাজের তত্বাবধান করছে। 

তিনি তথ্য দিয়ে আশা প্রকাশ করেন, এবার ৯৭০টির কাছে প্রতিমা বিসর্জন হতে পারে। একইসঙ্গে কার্নিভালের আরও শতাধিক প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে এই বাজা কদমতলা ঘাটে। দূষণ রুখতে গঙ্গায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে পুরসভা। নদীর পারে লাগানো হয়েছে আলো। ফুল মালা থেকে কাঠামো,সবকিছু তত্পরতার সঙ্গে গঙ্গা থেকে তোলার যান্ত্রিক পদ্ধতিও বেশ লক্ষ্যণীয়। পরিবেশ বিদ সুভাষ দত্ত গঙ্গার ঘাটে থাকবেন পর্যবেক্ষক হিসেবে।পুরসভা পরিষেবা প্রদানের মতোই নদীর দূষণ করার মতো সমাজবন্ধু দায়িত্ব পালন করার বার্তাও দেন মহানাগরিক।

[আরও পড়ুনঃ বাবা সিদ্দিকির ‘খুনে’ বিষ্ণোই গ্যাং,ভোটের আগে প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা,মারাঠা ভূমে খুন ঘিরে চাপানউতোর

বাঙালির উৎসব উদযাপনে যেমন বাংলার সরকারের পথে পুরসভা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে,তেমনই আবার দায়িত্ব পালনে যে অনড় তা স্পষ্ট।হেরিটেজ উৎসববে  ঐতিহ্যবাহী নদী বাঁচানোর এই প্রয়াস সবমহলের যে প্রশংসা আদায় করে নিচ্ছে তা বলাই যায়।