চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: বাংলার রাজনীতিতে পালাবদলের অন্যতম প্রতীক সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের রক্তক্ষয়ী আন্দোলন। বাম জমানার অবসানকে ত্বরান্বিত করা সেই রক্তাক্ত দিনের স্মৃতিকে স্মরণ করে সোমবার, নন্দীগ্রাম দিবসে শাসক দল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ শানালেন বিজেপির দিকে। নন্দীগ্রামের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি সিপিএম জমানার ‘লাল সন্ত্রাসের’ প্রসঙ্গ টেনে বিজেপিকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন (Nandigram Day)।
On this fateful day in 2007, the brave people of Nandigram rose up against the barbaric attempt by the then Left Front government to snatch away their land, dignity and right to live with honour.
The face of the oppressor has only changed, the oppression remains the same. The…
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) November 10, 2025
আরও পড়ুনঃ Mali: মালিতে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ করতে গিয়ে অপহৃত ৫ ভারতীয়, দিল্লি জুড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা
তৃণমূল সাংসদ তাঁর বার্তায় স্মরণ করিয়ে দেন, কিভাবে বাংলার মানুষ সিপিএমের ঔদ্ধত্যের জবাব দিয়েছিল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আগামীতে বিজেপির দর্পচূর্ণও একই ভাবে হবে। বিজেপির ঔদ্ধত্যের জবাব জনগণ দেবে ব্যালট বক্সে।” তিনি আবারও বুঝিয়ে দেন, বাংলার মানুষ বরাবরই লড়াই করে এবং ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে বিজেপিকে সমুচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। এই মন্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে নন্দীগ্রামের ইতিহাসকে হাতিয়ার করে তৃণমূল এখন বিজেপি-কে কোণঠাসা করতে চাইছে (Nandigram Day)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/17CxRSHVAJ/
প্রতি বছর ১০ নভেম্বর দিনটি তৃণমূলের কাছে শহিদ স্মরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৭ সালের এই দিনটিই ছিল নন্দীগ্রামের ঐতিহাসিক ‘অপারেশন সূর্যোদয়’এর দিন। তবে বর্তমানে এই দিনটি পালনে বিভক্ত বাংলার রাজনীতি। শাসকদল তৃণমূল যেমন শহিদ দিবস পালন করে, তেমনই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উদ্যোগে বিজেপিও নন্দীগ্রাম দিবস উদযাপন করে থাকে। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে বাম জমানার বিরুদ্ধে যখন এই আন্দোলন চলছিল, তখন শুভেন্দু অধিকারী স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এক গুরুত্বপূর্ণ সৈনিক ছিলেন (Nandigram Day)।