ad
ad

Breaking News

Mamata Banerjee

ভরাডুবি নিয়ে বিস্তর কাটাছেঁড়া, কালীঘাটে মমতা-বিধায়কদের বৈঠকে আর কী কী হল?

নির্বাচনী ভরাডুবির পর হারের কারণ খুঁজতে এবং দলের অন্দরের শৃঙ্খলা ফেরাতে নড়েচড়ে বসল তৃণমূল কংগ্রেস।

Mamata Banerjee Holds Emergency Meeting with MLAs

ফাইল চিত্র

Bangla Jago Desk: জয়ী বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে নিজের বাসভবনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, এবং ইন্দ্রনীল সেন-সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে বালিগঞ্জ, এন্টালি ও চৌরঙ্গী কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থীদেরও উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মোট ৭১ জন জয়ী বিধায়ক এই বৈঠকে অংশ নেন।

সূত্রের খবর, যেসব কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস পরাজিত হয়েছে, সেসব এলাকার ফলাফল খতিয়ে দেখতে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এলাকা ভিত্তিক ভোটের ফল, সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং স্থানীয় স্তরে দলের কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে, কোন কোন ক্ষেত্রে দলীয় কর্মীদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রভাব ফেলেছে কিনা, তা নিয়ে নেত্রী সরাসরি মতামত নেন।

বৈঠকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল দলীয় শৃঙ্খলা। অভিযোগ উঠেছে, কিছু নেতা ও কর্মী দলবিরোধী কাজ করেছেন নির্বাচনের সময়। এই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কঠোর বার্তা দিয়ে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, শৃঙ্খলাভঙ্গের ক্ষেত্রে কোনও রকম আপস করা হবে না।

এছাড়াও আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেস কীভাবে তাদের আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থেকে জনসংযোগ বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, রাজভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র জমা না দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বেলেঘাটা কেন্দ্রের বিধায়ক কুনাল ঘোষ বলেন, এটি আসলে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল, যা আগামী দিনের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।