ad
ad

Breaking News

Mamata Banerjee

তৃণমূলের মিছিলে ‘হামলা’, মহিলা কর্মীদের শারীরিক নিগ্রহ ভাড়াটে গুন্ডাদের? অভিযোগ মমতার

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভের সুরে জানান, নতুন সরকার আসার পর থেকে তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। পুলিশ সমানে তাঁর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে এবং তৃণমূলের হ্যান্ডমাইক কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সকাল থেকে ডিজে বাজিয়ে তাণ্ডব করছে বিজেপি।

Hazra Violence: Mamata Banerjee Steps Out with Hand Mic

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু করেছিল তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা। কিন্তু হাজরা মোড়ের কাছে মিছিল পৌঁছাতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মিছিল লক্ষ্য করে ধেয়ে আসে ‘চোর’ স্লোগান এবং ‘ফাইল চোর’ গান। বেশ কয়েকজন মিছিলকারী জখম হন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হ্যান্ড মাইক হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করার পাশাপাশি পুলিশের ওপর ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, “হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে ছাত্র-যুবরা গণতান্ত্রিক অধিকার মেনে মিছিল করছিল। কিন্তু বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে আমার বাড়ি পর্যন্ত ভাড়াটিয়া গুন্ডাদের নিয়ে এসে তাণ্ডব করেছে বিজেপি। মিছিলে থাকা মেয়েদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে, তাদের গাল, বুক ও গোপনাঙ্গে আঘাত করা হয়েছে! আমি সেই মেয়েদের বাঁচাতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসেছিলাম। এই নোংরা পরিবর্তন কি বাংলার মানুষ চেয়েছিল?”

“আমাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে”, রাম মন্দিরের প্রণামী চুরির প্রসঙ্গ টেনে বিজেপিকে আক্রমণ

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভের সুরে জানান, নতুন সরকার আসার পর থেকে তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। পুলিশ সমানে তাঁর ওপর নজরদারি চালাচ্ছে এবং তৃণমূলের হ্যান্ডমাইক কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে সকাল থেকে ডিজে বাজিয়ে তাণ্ডব করছে বিজেপি। হাজরার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি বিজেপিকে দোষ দিচ্ছি না, দোষ এই দলদাস পুলিশের! আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পুলিশ কেন মিছিলে বিজেপির গুন্ডাদের ঢুকতে দিল? এরা রামের টাকা চুরি করে খায়, আর রামের নামে স্লোগান দিয়ে রামের নাম বদনাম করছে। উত্তরপ্রদেশের চেয়েও বেশি অশান্তি তৈরি করা হচ্ছে বাংলায়।”

“মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিতে পারেন না”, আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি তৃণমূলনেত্রীর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যারা স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ করছে, পুলিশ তাদের ‘দাঙ্গাকারী’ তকমা দিয়ে গ্রেফতার করছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায়। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ না করে বর্তমান বিজেপি সরকারের মণ্ডল সভাপতি ও ব্লক সভাপতির মতো আচরণ করছে এবং সমস্ত তথ্য বিজেপির কাছে পাঠাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট জানান, “সারা বাংলা জুড়ে মহিলাদের ওপর অত্যাচার বেড়েছে, মানুষের শান্তি নষ্ট করা হচ্ছে। কিন্তু মনে রাখবেন, মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া যায় না। আমরা আদালতের নির্দেশ অমান্য করিনি, পুলিশ করেছে। এর ধিক্কার জানাই।” এই ঘটনার পর কালীঘাট ও হাজরা চত্বরে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।