চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk: পুজোর দিনগুলিতে রাস্তায় নামা জনস্রোতকে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশকে। আর সেই চ্যালেঞ্জ উতরে গেল পুলিশ। প্রতিবারের ন্যায় এবছরও পুজোয় চ্যাম্পিয়ন কলকাতা পুলিশ। (Police) পুজো সামলাতে এ বছর বাড়িতে পুলিশকর্মীকে পথে নামানো হয়। এ ছাড়াও ট্র্যাফিক পুলিশের অতিরিক্ত কর্মী হোমগার্ড রাস্তায় ছিলেন। পুলিশের লক্ষ্য ছিল পুজোয় যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করা। পুজোর কয়েক দিন শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমনিতেই নাভিশ্বাস ওঠে লালবাজারের। যানজট থেকে রাজপথে মানুষের ঢল সামলাতে পথে নামতে হয় পুলিশকর্তা থেকে নিচুতলার আধিকারিকদের। অতিরিক্ত কয়েক হাজার পুলিশ নামিয়েও বহু ক্ষেত্রে রক্ষা মেলে না। তবে পুলিশ সব ব্যবস্থা নিয়ে রাখায় কোনও সমস্যা হয়নি।
আরও পড়ুনঃ Cough Syrup Controversy: কাশির ওষুধ কি প্রাণঘাতী? ডেক্সট্রোমেথোরফান সিরাপ কখন বিপজ্জনক হতে পারে?
এবছরও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল ঠাকুর দেখা। উদ্বোধন হয়ে গিয়েছিল বড় বড় পুজোগুলির। দেখতে দেখতে নবমী পার হয়ে গেল। আজ দশমী। ঠাকুর দর্শনের শেষ রাতে তাই ভারাক্রান্ত মন নিয়েই চলে প্যান্ডেল হপিং। বড় বড় নামকরা পুজোগুলির প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে লম্বা লাইন পড়ে। মানুষও অধীর আগ্রহে লাইন দিয়ে দর্শন করে প্রতিমা।(Police)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
পঞ্চমী, ষষ্ঠী ও সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীতে পথে নামা জনজোয়ার বুঝিয়ে দেয় একবছরের অপেক্ষা কেন থাকে। পুজোর আনন্দে শামিল হতে তাই পথে নামে আট থেকে আশি। প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ে ভিড়। কলকাতা উত্তরের সঙ্গে পাল্লা দেয় দক্ষিণ। রাসবিহারী অ্যাভিনিউ সংলগ্ন রাস্তার দুই ধারের বড় পুজোগুলিতে উপচে পড়ে ভিড়। ভিড়ের চাপে রাতের দিকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে রাস্তাগুলি। বেহালাতেও ভিড় হয় ব্যাপক। উৎসবপ্রিয় মানুষ পথে নেমে পড়ায় যানবাহনের গতি ধীর হয়ে যায়। শেষ বেলায় সকাল থেকেই ঠাকুর দেখার দেখার ভিড় দেখা যায় বিভিন্ন মণ্ডপে। বেলা যত গড়ায়, ভিড়ও ততই বাড়ে।(Police)
এবার উমার ফিরে যাওয়ার পালা। ক’টা দিন বাপের বাড়ি কাটিয়ে আবার ফিরে যেতে হবে। দশমীতে অনেক বাড়ির পুজোর বিসর্জন হয়েছে। তবে বারোয়ারি পুজোর বিসর্জন এখনও খুব একটা হয়নি। সেই সঙ্গে কার্নিভালে ডাক পাওয়া বড় বড় পুজোগুলির এখন বিসর্জন হবে না। কার্নিভাল শেষে হবে ভাসান। বলা যায় পুজোকে কেন্দ্র করে ভিড় নির্বিঘ্নে সামাল দিয়েছে পুলিশ। পুজোর কয়েকটা দিন তেমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জনপ্লাবন সামাল দিয়ে এবছরও পুজোয় চ্যাম্পিয়ন কলকাতা পুলিশ।