ad
ad

Breaking News

Kolkata Police

Kolkata Police: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করে কোটি কোটি লোপাট! হাঁসখালিতে পুলিশের জালে দুই মাস্টারমাইন্ড

৩,৮০০ ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে

Kolkata Police digital arrest scam

চিত্রঃ প্রতীকী

Bangla Jago Desk: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর ফাঁদ পেতে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বড়সড় সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ। নদিয়ার হাঁসখালি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এই চক্রের দুই পান্ডাকে গ্রেপ্তার করেছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। ধৃতদের নাম দেবতনু সরকার এবং সৌরভ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের কাছ থেকে নগদ টাকা লেনদেনের নথির পাশাপাশি ৩,৮০০ ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

তদন্তের সূত্রপাত হয়েছিল গত সেপ্টেম্বর মাসে। কলকাতার নেতাজিনগর এলাকার এক বাসিন্দাকে ভয় দেখিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে বন্দি বা ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করা হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তির কাছ থেকে ধাপে ধাপে প্রায় ১ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা। সর্বস্ব খুইয়ে ওই ব্যক্তি নেতাজিনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মামলার গুরুত্ব বুঝে লালবাজারের সাইবার শাখা তদন্তভার হাতে নেয় এবং প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে প্রতারকদের ডেরার হদিশ পায়।

বুধবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নদিয়ার হাঁসখালিতে হানা দেয় পুলিশের একটি বিশেষ দল। সেখান থেকেই হাতেনাতে ধরা হয় দেবতনু ও সৌরভকে। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে দু’টি মোবাইল ফোন, চারটি ব্যাঙ্ক পাসবুক ও চেক বই, ছ’টি এটিএম কার্ড এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘হার্ডঅয়্যার ওয়ালেট’ উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই হার্ডঅয়্যার ওয়ালেটেই প্রতারণার ক্রিপ্টোকারেন্সি লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ধৃতদের মোবাইলে এমন কিছু সন্দেহজনক নথির সন্ধান মিলেছে, যা আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তাদের দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। এই বিশাল পরিমাণ টাকা কোথায় পাচার করা হয়েছে এবং এই চক্রের জাল রাজ্যের বাইরে আর কতদূর বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। বাজেয়াপ্ত হওয়া ডিজিটাল নথি ও ক্রিপ্টোকারেন্সি যাচাই করার জন্য বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।