ad
ad

Breaking News

Kolkata Airport

ডোমেস্টিক কার্গোতেই এল বিপুল গয়না! কলকাতা বিমানবন্দরে উদ্ধার কোটি টাকার সোনা-হিরে

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডোমেস্টিক কার্গোর মাধ্যমে ওই সোনা, রুপো এবং মূল্যবান পাথর কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছিল

Kolkata Airport Gold, Diamond Jewelry Worth Over ₹1 Crore

চিত্র- সংগৃহীত

AK Bangla Desk: কলকাতা বিমানবন্দরে বড়সড় পাচারের ছক বানচাল করল বিধাননগর পুলিশ। বিপুল পরিমাণ সোনা ও রুপোর পাশাপাশি হিরে, চুনি এবং পান্না উদ্ধারের ঘটনায় বিমানবন্দর চত্বর থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া গয়না ও মূল্যবান রত্নের মোট বাজারমূল্য এক কোটি টাকারও বেশি বলে প্রাথমিক অনুমান তদন্তকারীদের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডোমেস্টিক কার্গোর মাধ্যমে ওই সোনা, রুপো এবং মূল্যবান পাথর কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছিল। বিমানবন্দর থেকে সেগুলি বাইরে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল এক ব্যক্তির উপর। গোপন সূত্রে সেই খবর পাওয়ার পরই নজরদারি শুরু করে বিধাননগর পুলিশের এনএসসিবিআই থানার আধিকারিকেরা। অভিযোগ, বিমানবন্দরে এক ব্যক্তির কাছ থেকে মূল্যবান সামগ্রীগুলি সংগ্রহ করার পর স্কুটিতে করে এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন ওই যুবক। সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে বিমানবন্দর চত্বরেই তাঁর স্কুটি আটকায় পুলিশ। তল্লাশি চালাতেই ব্যাগের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার হয়।

ধৃতের নাম রাম অবতার শর্মা। তিনি রাজস্থানের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৪০০ গ্রাম সোনা উদ্ধার হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা। এ ছাড়াও কয়েকশো গ্রাম রুপো এবং হিরে, চুনি ও পান্না-সহ একাধিক মূল্যবান রত্ন পাওয়া গিয়েছে। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর বাজারমূল্য এক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তদন্তকারীদের অনুমান। তবে উদ্ধার হওয়া গয়না ও রত্নের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হতে পারে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, কলকাতার বড়বাজার এলাকায় ওই সোনা, রুপো এবং মূল্যবান পাথর পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে কার কাছ থেকে সেগুলি বিমানবন্দরে এসেছিল এবং বড়বাজারে কাকে সরবরাহ করার কথা ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধৃতকে বৃহস্পতিবার ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচারচক্রের বাকি সদস্যদের শনাক্ত করতে চাইছেন তদন্তকারীরা। এই চক্রের সঙ্গে বিমানবন্দরের কোনও কর্মী, কার্গো সংস্থা কিংবা শহরের কোনও ব্যবসায়ীর যোগ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে এনএসসিবিআই থানার পুলিশ।

ডোমেস্টিক কার্গোর মাধ্যমে এত বিপুল মূল্যের সোনা ও রত্ন কীভাবে কলকাতায় পৌঁছল এবং প্রয়োজনীয় নথি ছাড়াই সেগুলি বিমানবন্দরের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল কি না—এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।