চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: নিউ গড়িয়ায় বৃদ্ধার রহস্যমৃত্যুর (Garia Murder) ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পঞ্চসায়র থানার তদন্তকারী আধিকারিকরা গ্রেফতার করেছেন বৃদ্ধ দম্পতির আয়া ও তাঁর পুরুষসঙ্গীকে। ঘটনার আগের রাতে ওই আয়া তার সঙ্গীকে নিয়ে দম্পতির বাড়িতে ঢুকেছিল, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে এই বিষয়ে নিঃসন্দেহ হয়েছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: কসবা গণধর্ষণ কাণ্ড: আলিপুর আদালতে চার্জশিট জমা দিল পুলিশ]
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত আয়ার নাম আশালতা সর্দার (৩৬)। তার সঙ্গী ছিল মহম্মদ জালাল মীর (৪১)। দু’জনেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাটের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তারা দু’জনে মিলেই বৃদ্ধ দম্পতির বাড়িতে ডাকাতির ছক কষেছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।
শুক্রবার গভীর রাতে ঢোলাহাটের বাড়ি থেকে প্রথমে জালালকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শনিবার সকালে নরেন্দ্রপুরের ভাড়া বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় আশালতাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১৭ আগস্ট কাজে যোগ দিয়েছিল ওই আয়া। মাঝে তিন দিন ছুটি নিয়েছিল সে। ঘটনার আগের রাতেই সে পুরুষসঙ্গীকে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে বলেই জানা যাচ্ছে। কেটে দেওয়া হয় দম্পতির বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ, বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় সিসি ক্যামেরার সংযোগও। অর্থাৎ গোটা ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে রীতিমত পরিকল্পনা করে, ধারণা পুলিশের (Garia Murder)।
[আরও পড়ুন: Gold Theft: ভাড়া বাড়ি থেকে সর্বস্ব খোয়ালেন গৃহবধূ! প্রায় ১২ লক্ষ টাকার সোনার গহনা লুট করার অভিযোগ ]
নিউ গড়িয়ার পঞ্চসায়র থানা থেকে পাঁচশো মিটার দূরে একটি আবাসনে থাকতেন প্রশান্ত দাস (৮২) ও তাঁর স্ত্রী বিজয়া দাস (৭৯)। কুলু ভিলা নামে ওই বাড়িতে তাঁরা ছাড়া আর কেউ থাকতেন না। শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বৃদ্ধার হাত-পা বাঁধা রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পাশের ঘরে মেঝেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে ছিলেন বৃদ্ধও। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ, তাঁর দেখভালের জন্যই আয়াকে কাজে রাখা হয়েছিল। বৃদ্ধার দেহের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, মাথায় আঘাত এবং শ্বাসরোধের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে (Garia Murder)। আয়া এবং তাঁর সঙ্গীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।