ad
ad

Breaking News

Dengue Campaign

ডেঙ্গু দমনে রাজ্যজুড়ে মহাজাগরণ! ৩ দিনের মেগা অভিযানের ঘোষণা নবান্নের

বুধবার নগরোন্নয়ন ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল

Dengue Campaign Bengal Urban Development Ministry

চিত্রঃ প্রতীকী

AK Bangla Desk: ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার রাজ্যজুড়ে টানা তিন দিনের বিশেষ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিল পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। বৃহস্পতিবার, শুক্রবার এবং শনিবার—এই তিন দিন স্কুল, কলেজ, অফিস, হোটেল, রেস্তরাঁ, আবাসন, হাসপাতাল, সরকারি দপ্তর থেকে শুরু করে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা জল ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ খতিয়ে দেখা হবে। বুধবার নগরোন্নয়ন ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ডেঙ্গু রুখতে শুধু সরকারের উপর নির্ভর করলে চলবে না। সাধারণ মানুষকেও সমানভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে। বাড়ি, অফিস, দোকান কিংবা খালি জমি—কোথাও যেন দীর্ঘদিন জল জমে না থাকে, সেদিকে নজর রাখতে হবে সবাইকে।

বিশেষ করে খালি জমি অপরিষ্কার অবস্থায় ফেলে রাখার বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। তাঁর বক্তব্য, কোনও জমিতে ঝোপঝাড়, আবর্জনা বা জল জমে থাকলে সংশ্লিষ্ট মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আদালতে মামলা করা হতে পারে এবং দোষ প্রমাণিত হলে বড় অঙ্কের জরিমানাও গুনতে হতে পারে। মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, এই জরিমানা ১০০ বা ২০০ টাকার মতো সামান্য হবে না। রাজ্যজুড়ে যে তিন দিনের মেগা অভিযান শুরু হচ্ছে, তাতে বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের চত্বর পরিষ্কার রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। কোথাও ফুলের টব, ড্রেন, ছাদ, নির্মাণস্থল, আবর্জনার স্তূপ বা অন্য কোনও জায়গায় জল জমে রয়েছে কি না, তা বিশেষভাবে দেখা হবে।

তবে এই অভিযান শুধুমাত্র তিন দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলেও জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ডেঙ্গু প্রতিরোধের এই প্রক্রিয়া নিয়মিতভাবে চালিয়ে যেতে হবে। প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও নিজেদের বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব নিতে হবে। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতাও দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। কারও জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটবর্তী সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। রাজ্য সরকারের তরফে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। একইসঙ্গে সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে প্রয়োজনীয় টেস্ট কিট ও চিকিৎসা পরিষেবা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। ফলে ডেঙ্গুর মরশুমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতা, দ্রুত পরীক্ষা এবং জনসচেতনতা—এই তিনটি বিষয়কেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার।