ad
ad

Breaking News

Surendranath College

সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ভেতরেই তৃণমূল নেতার বিলাসবহুল বেডরুম! মিলল কন্ডোমের প্যাকেট ও আগ্নেয়াস্ত্র

কিছুক্ষণের মধ্যেই কলেজ চত্বরের ভিতরে দু’টি বেডরুমের হদিশ মেলে বলে দাবি করা হয়েছে

Surendranath College Deepens After Cash Recovery Union Room

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ইউনিয়ন রুম থেকে দুই ব্যাগ ভর্তি উই পোকায় খাওয়া টাকা উদ্ধারের পর এবার সামনে এল আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। মঙ্গলবার বিকেলে টাকা উদ্ধারের কিছুক্ষণের মধ্যেই কলেজ চত্বরের ভিতরে দু’টি বেডরুমের হদিশ মেলে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যবহার করতেন তৃণমূল নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কানকাটা দেবু এবং তাঁর ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। স্থানীয় সূত্রে দাবি, ‘টেরেস ফেসিলিটি’র নামে তৈরি ওই ঘরগুলির উদ্বোধন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, ঘর দু’টির চাবি থাকত দেবাশিস ও তাঁর ছেলের কাছেই। এমনকি সেখানে তাঁদের ম্যাসাজ করানো হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ওই বেডরুম সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

জানা গিয়েছে, ওই দুই ঘরে অ্যাটাচ বাথরুম, এসি, খাট, দামি বিছানা ও আলমারি ছিল। আলমারির ভিতরে বালিশও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি। শুধু তাই নয়, কলেজের ছাদ থেকে একাধিক মদের বোতল উদ্ধারের কথাও সামনে এসেছে। একই দিনে কলেজের কমন রুম থেকে কন্ডোমের প্যাকেট এবং ইউনিয়ন রুম থেকে কালো প্যাকেটে মোড়া একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের অভিযোগ ঘিরে আরও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরে পুলিশ এসে আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে কলেজে পৌঁছন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ওই ঘরগুলিকে ‘ওয়ো রুম’ বলে কটাক্ষ করেন। তাঁর উপস্থিতিতেই কলেজের কমন রুম থেকে কন্ডোমের প্যাকেট উদ্ধার করা হয় বলে দাবি। ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় সজল ঘোষ ইডি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

তাঁর অভিযোগ, কলেজের দুর্নীতির টাকা রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের মাধ্যমে কালীঘাট ও ক্যামাক স্ট্রিট পর্যন্ত পৌঁছত। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। টাকা, বেডরুম, আগ্নেয়াস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের অভিযোগ ঘিরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের প্রশাসনিক ও শিক্ষাগত পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে।