ad
ad

Breaking News

Mamata Banerjee

সুব্রত বক্সীর হাত থেকে দলীয় প্রতীক পেলেন আলিফা, সই আছে দলনেত্রীর

আগেই প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হয়েছে। এবার নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভার প্রাথীর হাতে দলীয় প্রতীক সম্বলিত পত্র তুলে দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী।

Alifa received party membership from Subrata Bakshi, signed by the party leader

গ্রাফিক্স: নিজস্ব

Bangla Jago Desk: আগেই প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হয়েছে। এবার নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভার প্রাথীর হাতে দলীয় প্রতীক সম্বলিত পত্র তুলে দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। তাতে সই আছে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর। আগামীকাল তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ মনোনয়ন জমা দেবেন। আরিফা আহমেদ বৃহস্পতিবার দলীয় প্রতীক সম্বলিতপত্র ও সুব্রত বক্সীর আশীর্বাদ নিয়ে ফিরে যান নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে। ইতিমধ্যে তিনি প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এবার মনোনয়ন জমা দিয়ে সেই প্রচারের ঝাঁজ আরও বাড়াবেন তিনি।

গত মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের তরফে কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। তরুণ প্রার্থী আলিফা আহমেদ উচ্চশিক্ষিত। জেলায় যথেষ্ট সুনাম রয়েছে আলিফার। রাজনীতিতে পদার্পণ পিতার হাত ধরেই। তিনি জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন। অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এই তরুণ মুখকে সামনে রেখে আসনটি নিজেদের হাতে রাখতে চাইছে তৃণমূল।

তৃণমূল প্রার্থী আলিফার ছাত্রজীবন শুরু হয়েছিল কৃষ্ণনগরে। কৃষ্ণনগর হোলি ফ্যামিলি গার্লস স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করে বি টেক করেন। বর্তমানে একটি বিখ্যাট তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আলিফা আহমেদ। বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদ প্রয়াত হওয়ায় এই আসনে প্রার্থী হওয়ার দাবিদার ছিলেন অনেকে। কিন্তু সবাইকে টপকে বাবার ছেড়ে যাওয়া আসনে প্রার্থী হন মেয়ে। আরিফাকে প্রার্থী করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবনা কাজে লাগায় রাজ্যের শাসক দল। তিনি বাবার সঙ্গে প্রচারে যেতেন। বাবার জনসংযোগের অনেকটাই তাঁর জানা। তাই বিধানসভা এলাকার সব নেতা কমবেশি তাঁর চেনা। এবং সবার সঙ্গে তাঁর সদ্ভাব আছে। এই সব কারণ যেমন আছে, সেই সঙ্গে তিনি উচ্চশিক্ষিত, কালীগঞ্জের প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা নখদর্পণে— তাই আলিফা আহমেদকে প্রার্থী করতে বেশি সময় ব্যয় করেনি রাজ্যের শাসক দল।

আগামী ১৯ জুন দেশের আরও বেশ কয়েকটি আসনের সঙ্গে বাংলার কালীগঞ্জ আসনে ভোট হবে। রাজ্যের শাসক দল চায়, প্রয়াত বাবার জায়গায় প্রার্থী মেয়ে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নিন। সেই লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্যের শাসক দল।