চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: ওবিসি জটের ফলে বহুদিন ধরে রাজ্য জয়েন্টের ফলপ্রকাশ ছিল আটকে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজ্যের তরফ থেকে যাওয়া হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। হাই কোর্টের রায়তে স্থগিতাদেশ দেয় বিশ্ব আদালত। এবার সেই ব্যাপারে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিরোধীদের একহাত নিলেন ঘাসফুল শিবিরের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।
[আরও পড়ুন: কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী খুনে জামিন পেলেন নারকেলডাঙা থানার তৎকালীন ওসি]
ডায়মন্ড হারবার সাংসদ (Abhishek Banerjee) বলেন, “আমাদের লজ্জা, ১২ ক্লাস পাস করার পরও গোটা রাজ্যে অভিভাবকরা চিন্তায় ছিলেন ভর্তি প্রক্রিয়ায় দেরি নিয়ে। আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে গিয়ে, শিক্ষা দিতে গিয়ে, রাজ্যের ছাত্র-যুব সমাজের জীবনে অন্ধকার নামিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের বিচার ব্যবস্থার একাংশের তরফ থেকে। কিন্তু সেই অর্ডার আমরা স্টে করিয়েছি সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে। তৎক্ষণাৎ ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করেছে সরকার।”
শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) একা নন, এই ইস্যুতে এদিন বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে তিনি কটাক্ষ করেন বিরোধীদের। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “আমাদের সময় লেগেছে জয়েন্ট এন্ট্রান্সের রেজাল্ট বের করতে। আমরা দুঃখিত এর জন্য। তবে এতে দোষ নেই আমাদের। তারা দু’নম্বরি, যারা কোর্টে গিয়ে কেস করে। তোমরা পারো না রাজনীতি। নিয়োগ আটকে রাখো ব্যাকডোরে লড়াই করে।”
[আরও পড়ুন: Siliguri Arms Seizure: শিলিগুড়িতে অস্ত্র কারবার ফাঁস, আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার যুবক]
রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাই কোর্টের অর্ডারে সুপ্রিম কোর্টের স্টে দেওয়া এক বড় জয় রাজ্য সরকারের। শুধু তাই নয়, ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে যে এর প্রভাব ভালরকমই পড়বে ভোটবাক্সে।