চিত্র: সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। আগামী শুক্রবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Zelensky-Russia)। তার আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সেরে নিচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বুধবার তিনি পৌঁছেছেন জার্মানির রাজধানী বার্লিনে। সেখানে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মার্জ সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
[আরও পড়ুন: Child Trafficking: সন্তানহীনতার সুযোগে কোটি টাকার শিশু পাচার চক্র! গ্রেফতার ২৫]
সূত্রের খবর, ইউক্রেনের যুদ্ধ থামাতে রাশিয়ার উপর ধারাবাহিক চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প। শুক্রবারের ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকেও মূলত যুদ্ধবিরতির বিষয়েই আলোচনা হবে। তবে ওই বৈঠকে জেলেনস্কিকে (Zelensky-Russia) ডাকা হবে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বুধবার ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ভার্চুয়াল বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারাও যোগ দিতে পারেন। সেখানে ইউক্রেনের স্বার্থ ও যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত বিষয়গুলি তুলে ধরতে পারেন জেলেনস্কি ও তাঁর মিত্ররা।
ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধ থামাতে মস্কো ও কিভ উভয়কেই জমি ছাড়তে হবে।কিন্তু বর্তমানে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড দখল করে রেখেছে। জেলেনস্কির অনুপস্থিতিতে ট্রাম্প-পুতিন আলোচনা ইউক্রেনের বিপক্ষে যেতে পারে বলে আশঙ্কা ইউরোপীয় ইউনিয়নের একাধিক দেশের। যদিও হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প মূলত শুনবেন, কিন্তু ট্রাম্প নিজেই বলেছেন বৈঠক শুরু হওয়ার প্রথম দু’ মিনিটের মধ্যেই বুঝে যাবেন, চুক্তি সম্ভব কি না।
[আরও পড়ুন: Kajal Sheikh: তিলপাড়া ব্যারেজ পরিদর্শন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের]
এদিকে, জেলেনস্কির দাবি রাশিয়া আদৌ যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়, বরং নতুন করে হামলার ছক কষছে। মার্চের শুরুতে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পরে ফের বুধবার ভার্চুয়াল বৈঠকে মুখোমুখি হবেন দুই নেতা। প্রায় এক দশক পর মার্কিন মুলুকে পা রাখতে চলেছেন পুতিন, ফলে ১৫ অগস্টের ট্রাম্প-পুতিন সাক্ষাৎকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নিজেকে শান্তি স্থাপনে যোগ্য প্রমাণ করতে ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি অন্তত চার-পাঁচ বার নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য (Zelensky-Russia)। পাকিস্তান ও ইজ়রায়েল তাঁর সেই দাবি সমর্থনও করেছে। এবার রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত থামাতে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনায় বসতে চলেছেন তিনি।