চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: আবারও কঠোরতার পথে তালিবান। আফগানিস্তানে এবার একের পর এক প্রদেশে ওয়াইফাই ইন্টারনেট পরিষেবার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল তালিবান সরকার। প্রশাসনের দাবি, অনলাইনে বেড়ে চলা ‘অনৈতিক কার্যকলাপ’ রুখতেই এই পদক্ষেপ। যদিও এই সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে প্রবল বিতর্ক (WiFi Ban)।
প্রথমে উত্তর আফগানিস্তানের বাল্খ প্রদেশে ওয়াইফাই নিষিদ্ধ হয়। এবার তা ছড়িয়ে পড়েছে কুন্দুজ়, বাদাখশান, বাখলান, তাখর এবং নানগরহর প্রদেশেও। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এবং এপি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রদেশগুলির সরকারি অফিস, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এমনকি সাধারণ মানুষের ঘরবাড়িতেও এখন বন্ধ ওয়াইফাই সংযোগ। তবে মোবাইল ইন্টারনেট এখনো পর্যন্ত চালু রয়েছে। তালিবান প্রশাসনের বক্তব্য, ওয়াইফাই ব্যবহার করে তরুণ সমাজ বিপথে যাচ্ছে, পর্নোগ্রাফি দেখা এবং পুরুষ-মহিলার মধ্যে অনলাইন যোগাযোগ বাড়ছে, যা ইসলামিক নীতিমালার পরিপন্থী। সেই কারণেই এমন কঠোর ব্যবস্থা (WiFi Ban)।
তবে এই পদক্ষেপকে অযৌক্তিক বলে কড়া সমালোচনা করেছেন আফগানিস্তানে প্রাক্তন মার্কিন দূত জালমে খালিজাদ । তাঁর বক্তব্য, “যদি পর্নোগ্রাফি নিয়েই সমস্যা থাকে, তাহলে অনেক ইসলামিক দেশ যেভাবে ইন্টারনেটে নির্দিষ্ট ফিল্টার বসিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করে, আফগানিস্তানেও তা করা যেত।” প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই তালিবান একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করে আসছে। এর আগে তারা মেয়েদের উচ্চশিক্ষা, কর্মক্ষেত্রে নারীদের উপস্থিতি, এমনকি পার্কে যাতায়াতের মতো বিষয়েও কড়াকড়ি করেছে। এবার ওয়াইফাই নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আফগান সমাজে আরও এক ধাক্কা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (WiFi Ban)।