ad
ad

Breaking News

Bunker Bomb

ইরানের পরমাণু কেন্দ্রের সুরক্ষা বলয় চুরমার! মার্কিন ৯০০ কেজি বোমার আঘাতে তছনছ ইসফাহান

পারমাণবিক গবেষণাগার ধ্বংস করতেই এই বিশেষ ধরণের বোমা ব্যবহার করা হয়েছে

US Drops 900kg Bunker Buster Bomb in Iran Isfahan

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের ইসফাহানে ৯০০ কেজি ওজনের শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা বর্ষণ করল আমেরিকা। মূলত মাটির গভীরে থাকা অত্যন্ত সুরক্ষিত সামরিক কাঠামো এবং পারমাণবিক গবেষণাগার ধ্বংস করতেই এই বিশেষ ধরণের বোমা ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৯০০ কেজির ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বা জি বি ইউ -সিরিজের বোমাগুলো সাধারণ বোমার মতো মাটির ওপরে বিস্ফোরিত হয় না। এগুলি কয়েক ফুট পুরু ইস্পাত এবং কংক্রিটের আস্তরণ ভেদ করে মাটির গভীরে পৌঁছাতে সক্ষম। মাটির ভেতরে গিয়ে এটি প্রচণ্ড শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটায়, যার ফলে ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ বা বাঙ্কার মুহূর্তেই ধসে পড়ে। ইসফাহানে এই হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের এমন কিছু কৌশলগত কেন্দ্র, যা সাধারণ আকাশপথে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করা অসম্ভব।

মার্কিন পেন্টাগন সূত্রে জানানো হয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে ক্রমবর্ধমান উস্কানি এবং পরমাণু সমৃদ্ধকরণের চেষ্টার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ। এই হামলার ফলে ইসফাহানের ওই অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পরিকাঠামোর অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এই ঘটনার পর ইরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যা গোটা বিশ্বকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের কিনারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

৯০০ কেজির এই দানবীয় বোমার আঘাত কেবল একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুকে নয়, বরং তার আশপাশের পুরো ভৌগোলিক কাঠামোকে নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। আন্তর্জাতিক মহলে এখন আলোচনার বিষয়—এই অভিযানের পর ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে এবং বিশ্ব রাজনীতিতে এর প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী হবে।