চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: রাশিয়ার খনিজ তেল কেনার ক্ষেত্রে ইউরোপের সব দেশকে নিষেধ করলেও, একমাত্র হাঙ্গেরিকে ছাড় দেবে আমেরিকা। শুক্রবার (স্থানীয় সময়) হোয়াইট হাউস থেকে এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানিয়েছেন, রাশিয়ার তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, হাঙ্গেরির ভৌগোলিক অবস্থার কারণে তাদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম করা হবে।ট্রাম্প বলেন, ‘ রাশিয়া ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে তেল বা গ্যাস কেনা হাঙ্গেরির পক্ষে খুব কঠিন। তাই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে ওদের ছাড় দেওয়া হবে (Russian oil)।‘
আরও পড়ুনঃ ভেস্তে গেল আফগান-পাকের মধ্যে হওয়া তৃতীয় শান্তি বৈঠক
প্রায় চার বছর ধরে চলা রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে একাধিকবার চেষ্টা করেছেন ট্রাম্প, কিন্তু সফল হননি। তাঁর দাবি, রাশিয়া তেল বিক্রি করে যুদ্ধের অর্থ জোগাড় করছে। তাই রুশ তেলের বাজার সীমিত করাই যুদ্ধ থামানোর কৌশল। এই কারণেই মার্কিন প্রশাসন রাশিয়ার দুটি বৃহত্তম তেল সংস্থাকে ব্ল্যাকলিস্ট করেছে। সেই সঙ্গে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলির উপর কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।তবে ব্যতিক্রম হিসেবে ছাড় পাচ্ছে শুধু হাঙ্গেরি। ইউরোপের মধ্যভাগে অবস্থিত এই স্থলবেষ্টিত দেশটির চারপাশে রয়েছে অস্ট্রিয়া, স্লোভাকিয়া, ইউক্রেন, রোমানিয়া, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া। সমুদ্রপথ না থাকায় রাশিয়াই হাঙ্গেরির একমাত্র জ্বালানি সরবরাহকারী (Russian oil)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/1GbdnH1jqc/
সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। তাঁর সঙ্গেই বৈঠকে বসেন ট্রাম্প। অরবান যুক্তি দেন, রাশিয়ার তেলই তাদের জ্বালানির প্রধান উৎস, তাই বিকল্পহীন পরিস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা সম্ভব নয়। ট্রাম্প সেই যুক্তি মেনেই হাঙ্গেরিকে বিশেষ ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করেন। অরবানের রাজনৈতিক কৌশলেও এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আগামী বছরে হাঙ্গেরিতে ভোট, আর সস্তায় রুশ তেলের প্রতিশ্রুতি ইতিমধ্যেই দিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসন একমাত্র রাশিয়া থেকে হাঙ্গেরিকে তেল কেনার অনুমতি দেওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তিতে প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান (Russian oil)।