চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ কি থামবে? কবে থামবে? গোটা বিশ্ব জুড়ে এই প্রশ্নটাই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মনে। বিশেষ করে একের পর এক বৈঠক করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছেন, তখন কিছুটা আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন কি পুতিন-জেলেনস্কি (Ukraine War)?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে হাই প্রোফাইল বৈঠক করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ওয়াশিংটনে সোমবার ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১০টার পর ওই বৈঠক শুরু হয় বলে খবর। বৈঠকের শুরুতেই জেলেনস্কিকে ট্রাম্প জানিয়ে দেন যে, ইউক্রেনের পাশে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে যে বৈঠক হয়েছিল, তা যথেষ্ট ইতিবাচক ছিল না ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের জন্য। গত ফেব্রুয়ারি মাসের সেই বৈঠক থেকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে কার্যত বেরিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে তা নিয়ে প্রচুর আলোচনাও হয়েছিল। তাই এই বৈঠকের দিকে নজর ছিল আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের (Ukraine War)।
আরও পড়ুনঃ Ear Assault: বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে অশান্তি, স্ত্রীর কান টেনে ছেড়ে দিল স্বামী
আগের বার হোয়াইট হাউসে এসেছিলেন কালো রঙের ফুলস্লিভ টি-শার্ট পরে। তা নিয়ে সংবাদমাধ্যম এবং কূটনৈতিক মহলে সমালোচিতও হয়েছিলেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। এদিনের বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট একটি কালো রঙের সুট পরেছিলেন – কালো জ্যাকেট, কালো শার্ট, কালো ট্রাউজার। সেই সুটের প্রশংসা করেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও। দু’জনের মধ্যে করমর্দন হয়। শুধু তাই নয়, ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেন, ‘ওই সুটে জেলেনস্কিকে চমৎকার দেখতে লাগছে।’ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ শেষ করতে এই বৈঠকের মাধ্যমে তিনি কূটনৈতিক উপায় খুঁজে বার করতে প্রস্তুত, বৈঠক শুরুর আগে বলেন জেলেনস্কি। বৈঠকের ফলাফল যাই হোক না কেন, আমেরিকা ইউক্রেনের পাশে থাকবে, এই বার্তা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কাঁধে হাত রাখতেও দেখা গেল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্টের ছ’মাসের মধ্যে এটাই একটা বড় তফাৎ (Ukraine War)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
সোমবার বৈঠক শুরুর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একটি চিঠি তুলে দেন বলে খবর। সেই চিঠি আমেরিকার ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্দেশে জেলেনস্কির স্ত্রী ওলেনা ভোলোদিমিরিভনা লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে। যুদ্ধ থামানোর বিষয়ে কি কোনও বার্তা আছে ওই চিঠিতে? সেই প্রশ্নও ঘুরছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে। তবে প্রয়োজনে ইউরোপীয় দেশগুলির নিরাপত্তার স্বার্থে যে কোনও সামরিক পদক্ষেপে নেতৃত্ব দিতে আমেরিকা যে তৈরি, হোয়াইট হাউসে সোমবারের বৈঠকে সেই বার্তাই দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুধু তাই নয়, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পরই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ফোন করেছেন ট্রাম্প। তাহলে কি ইউক্রেনের মাটিতে এবার মার্কিন সেনা নামবে? তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।