চিত্র: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Trump) প্রশাসন নতুন এইচ–১বি ভিসা নীতি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নীতির আওতায় দক্ষ বিদেশি কর্মীদের অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হবে, যাতে তারা মার্কিন নাগরিকদের উচ্চ দক্ষতার পেশায় প্রশিক্ষণ দিতে পারেন। এর লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদি বিদেশি শ্রমনির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় কর্মশক্তিকে উন্নত করা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট।
ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট জানান, ট্রাম্পের এই নতুন নীতি ‘জ্ঞান বিনিময়’ উদ্যোগ হিসেবে কাজ করবে। যার মূল উদ্দেশ্য আমেরিকার উৎপাদন শিল্প পুনরুজ্জীবিত করা। তিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন দশক ধরে সূক্ষ্ম উৎপাদন ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্প বিদেশে স্থানান্তরিত হয়েছে। এখন লক্ষ্য সেই শিল্পগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা (Trump)।
বেসেন্ট বলেন, “প্রেসিডেন্টের (Trump) পরিকল্পনা অনুযায়ী তিন থেকে সাত বছরের জন্য বিদেশি দক্ষ কর্মীদের আনা হবে, যারা মার্কিন কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবেন। পরে তারা দেশে ফিরে গেলে প্রশিক্ষিত মার্কিন কর্মীরাই দায়িত্ব নেবেন।”
Wow, Trump just backtracked on H-1B visas allowing U.S. employers to hire foreign, non-citizen workers
Corporations first, America lastpic.twitter.com/7a78ijsCAc https://t.co/Dr4BeVCox8
— Financelot (@FinanceLancelot) November 12, 2025
বিদেশি কর্মীদের কারণে মার্কিন নাগরিকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বর্তমানে কিছু বিশেষায়িত কাজের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা আমেরিকানদের নেই। বিদেশি বিশেষজ্ঞরা আসছেন, শিখিয়ে যাচ্ছেন, এটিই এই নীতির মূল সাফল্য।”
বেসেন্ট আরও বলেন, এই নতুন নীতি ট্রাম্প (Trump) প্রশাসনের বৃহত্তর অর্থনৈতিক লক্ষ্যের অংশ, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগুলোকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং আমদানিনির্ভরতা হ্রাস করা হচ্ছে।
এ ছাড়া তিনি প্রশাসনের আরেকটি উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন, বার্ষিক আয় এক লাখ ডলারের নিচে এমন পরিবারগুলোর জন্য ২,০০০ ডলারের ট্যারিফ রিবেট দেওয়ার প্রস্তাব। তাঁর বক্তব্য, “এই রিবেট পরিকল্পনা শক্তিশালী বাণিজ্যনীতির সুফল সাধারণ পরিবার পর্যন্ত পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে।”
শেষে বেসেন্ট বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক দর্শন ‘প্যারালেল প্রস্পেরিটি’ বা সমান্তরাল সমৃদ্ধি- যেখানে ওয়াল স্ট্রিট ও মেইন স্ট্রিট একসঙ্গে বৃদ্ধি পাবে। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বাজারকে স্থিতিশীল ও তারল্যপূর্ণ রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন (Trump)।