ad
ad

Breaking News

BRICS Tariffs

BRICS Tariffs: ব্রিকসকে নিশানা ট্রাম্পের, আমদানি শুল্ক ১০%!

তাঁর অভিযোগ, ‘ব্রিকস তৈরি করা হয়েছে আমেরিকার ক্ষতি করার জন্য, বিশেষ করে ডলারের গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়ার জন্য।

BRICS Tariffs Donald Trump Announces 10% Import

চিত্র : সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ব্রিকস গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির উপর শিগগিরই ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক চাপাতে চলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সামনে স্পষ্টভাবে এই ঘোষণা করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ‘ব্রিকস তৈরি করা হয়েছে আমেরিকার ক্ষতি করার জন্য, বিশেষ করে ডলারের গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়ার জন্য।’ ট্রাম্প বলেন, ‘যদি ওরা ব্রিকসে থাকে, তাহলে অবশ্যই ১০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। ব্রিকস প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে। যদি ওরা খেলতে চায়, আমিও খেলতে পারি।’ তিনি আরও জানান, ‘আমেরিকার ডলার বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্ব হারালে সেটা বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের সমান। আমি তা হতে দেব না।’ শুধু তাই নয়, তামার উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক বসানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন (BRICS Tariffs)।

আরও পড়ুন: Deepika Controversy: দীপিকার ৮ ঘণ্টা জাকের দাবি ন্যায্য’, অভিনেত্রীকে সমর্থন পরিচালক অনুরাগ বসুর

ফার্মাসিউটিক্যাল সামগ্রীর উপর অত্যন্ত চড়া হারে, ২০০ শতাংশ হারে শুল্ক বসানো হবে বলেও জানিয়েছেন। ভারতের ঘাড়ে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুমকিও দিলেন কার্যত।  ট্রাম্পের এই মন্তব্যের মাধ্যমে ফের একবার স্পষ্ট হল, ব্রিকসের প্রসার ও মার্কিন ডলারের বিকল্প মুদ্রা ব্যবহারের প্রচেষ্টা নিয়ে প্রবলভাবে স্নায়ুচাপে রয়েছে ওয়াশিংটন। প্রসঙ্গত, এবছর ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে। এই গোষ্ঠীতে বর্তমানে সদস্য দেশ রয়েছে ১০টি। ভারত, ব্রাজিল, রাশিয়া, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান, ইথিওপিয়া,  মিশর,  সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এই দেশগুলির বেশিরভাগই বর্তমানে ডলারের বিকল্প আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবহারে আগ্রহী। রাশিয়া ও চিন তো আগে থেকেই ‘ডলারের বিকল্প ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার পক্ষে জোরালো প্রচার চালাচ্ছে (BRICS Tariffs)।

Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট মঙ্গলবার ব্রিকস দেশগুলিকে সরাসরি বার্তা দিয়ে জানান, ‘ আমেরিকার অর্থনৈতিক স্বার্থকে কেউ আঘাত করলে, তার কড়া মূল্য দিতে হবে।’  ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ঘোষণার ফলে বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। উল্লেখ্য, গত বছর অক্টোবর মাসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আমেরিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, ‘ ওয়াশিংটন ডলারকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।’ তাঁর মতে, আমেরিকার একতরফা আর্থিক নিষেধাজ্ঞা নীতি বিশ্ব অর্থনীতিকে দুর্বল করছে। পুতিনের বক্তব্যের পর থেকেই ট্রাম্প ব্রিকস দেশগুলির উদ্দেশে বারবার হুঁশিয়ারি দিতে শুরু করেন (BRICS Tariffs)।