ad
ad

Breaking News

Trump Airport

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে হতে চলেছে বিমানবন্দর, শুরু প্রস্তুতি 

সোমবার ফ্লরিডার গভর্নর রন ডেস্যান্টিস বিমানবন্দরের নাম বদল সংক্রান্ত বিলে সই করেছেন।

trump-airport-florida-name-change

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: এ বার আমেরিকার মাটিতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে বিমানবন্দর।  ফ্লরিডার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম বদলে তা ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ করার উদ্যোগ শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে আমেরিকার রাজনীতিতে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প-পুত্র এরিক ট্রাম্প এক্স হ্যান্ডলে বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। নতুন নাম হতে চলেছে। অত্যন্ত গর্ববোধ করছি। এর পরই বিষয়টি নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে।

জানা গিয়েছে, ফ্লরিডার পাম বিচে রয়েছে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বাসভবন। সেই কারণেই পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম বদলে ট্রাম্পের নামে করার প্রস্তাব সামনে এসেছে। সোমবার ফ্লরিডার গভর্নর রন ডেস্যান্টিস বিমানবন্দরের নাম বদল সংক্রান্ত বিলে সই করেছেন। সূত্রের খবর, নাম পরিবর্তনের জন্য আগে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদনের প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করা হলেও, পরে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সূত্রে জানানো হয়েছে— বিমানবন্দরের নাম বদল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত মূলত স্থানীয় প্রশাসনের অধিকারেই রয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় অনুমোদন ছাড়াও নাম পরিবর্তনের কাজ এগিয়ে যেতে পারে।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম বদলে ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাখা হতে পারে। উল্লেখ্য, গত বছরই ফ্লরিডা প্রশাসন মায়ামিতে একটি সম্পত্তি দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যেখানে একটি পাঠাগার নির্মাণ করে সেটি ট্রাম্পকে উৎসর্গ করা হবে। তার পরেই বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রিপাবলিকান নেতারা। তবে ডেমোক্র্যাটদের তরফে তীব্র আপত্তি উঠেছে। অনেকের মতে, সরকারি পরিকাঠামোর নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, গভর্নর ডেস্যান্টিসের সঙ্গে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের টানাপড়েনের অবসান ঘটাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগেও একই সুর শোনা গিয়েছে। সব মিলিয়ে, বিমানবন্দরের নাম বদলকে ঘিরে ফ্লরিডা রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।