ad
ad

Breaking News

pumpkin boat

বিচিত্র শখ! কুমড়োর নৌকোয় ভ্রমণ করে গিনেস বুকে নাম তুললেন এই ব্যাক্তি

মানুষের শখ এক বিচিত্র বিষয়। নানা লোকের শখ দেখে অনেক সময় চোখ কপালে ওঠার জোগার হয়। শখ পূরণ করতে গিয়ে অনেকেই আবার রেকর্ড বুকে নাম তুলে ফেলেন।

This man made it into the Guinness Book of World Records by traveling on a pumpkin boat

Bangla Jago Desk: মানুষের শখ এক বিচিত্র বিষয়। নানা লোকের শখ দেখে অনেক সময় চোখ কপালে ওঠার জোগার হয়। শখ পূরণ করতে গিয়ে অনেকেই আবার রেকর্ড বুকে নাম তুলে ফেলেন। এবার সেরকম একটি ঘটনাই সামনে এল। কাঠের বা লোহার নয়, ১ হাজার ২১৪ পাউন্ড ওজনের বড় এক কুমড়া দিয়ে বানিয়ে ফেললেন নৌকো। সেই কুমড়ার নৌকা ভাসিয়ে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের নদীতে।

[আরও পড়ুনঃ কাটল আইএসএলের ব্যর্থতা, ১১ বছর পর এএফসির নকআউট পর্বে ইস্টবেঙ্গল

সেই নৌকোয় ৪৫.৬৭ মাইল ভ্রমণ করে গড়লেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন অঙ্গরাজ্যের হ্যাপি ভ্যালি এলাকার ওই ব্যক্তির নাম গ্যারি ক্রিস্টেনসেন। ২০১১ সাল থেকে তিনি বড় আকারের কুমড়োর চাষাবাদ করে আসছেন। ওয়েস্ট কোস্ট জায়ান্ট পাম্পকিন রেগাটা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে তিনি ২০১৩ সাল থেকে তাঁর খেতের বিশাল আকারের কুমড়ো দিয়ে নৌকো বানানোর কাজ শুরু করেন। তিনি টানা চারবার এ প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছেন।

কুমড়োকে কেটে নৌকো বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ‘পাঙ্কি লোফস্টার’ খেতাবও পেয়েছেন কারস্টেন। আর কুমড়োর প্যাডেলচালিত নৌকো দিয়ে ভ্রমণ করে গড়ে ফেললেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।

ওয়াশিংটনের ওই নদী থেকে কারস্টেন নৌকা নিয়ে ৪৫.৬৭ মাইল চালিয়ে কলম্বিয়া রিভারে যান। এতে তাঁর মোট সময় লাগে ২৬ ঘণ্টা। এর আগে অন্য একজন কুমড়োর নৌকো ৩৯ মাইল চালিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গড়েছিলেন।

কারস্টেন বলেন, কুমড়োর নৌকো চালিয়ে নতুন রেকর্ড গড়ার পথ মোটেই মসৃণ ছিল না। প্রচণ্ড বাতাস আর উত্তাল নদীতে এই রেকর্ড গড়তে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে তাঁকে। পাশাপাশি তিনি বলেন,

ভ্রমণের সময় নদীতে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৩৫ মাইল বেগে বাতাস বইছিল। তাঁরা ভনিভাইল বাঁধ থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন। মাঝেমধ্যে নদীর ঢেউ কুমড়োর নৌকোর উপর আছড়ে পড়ছিল। তিনি নদীর ঢেউয়ের জলে ভিজে যাচ্ছিলাম। নৌকায় জল জমে যাচ্ছিল।

[আরও পড়ুনঃ আলিপুরদুয়ারের শিশুকে ধ*র্ষণ ও খুনের ঘটনায় জড়িত আরও ১, থানায় আত্মসমর্পণ যুবকের 

কারস্টেন তাঁর এই কুমড়োর নৌকোয় ভ্রমণের পুরোটাই ভিডিও রেকর্ড করেছেন। পাশাপাশি কুমড়োর নৌকোর এক পাশে লিখে রেখেছিলেন, এটা সত্যি। এ কথা লিখে রাখার কারণও জানালেন তিনি। বললেন, উৎসুক জনতার অনেকে এই নৌকো নিয়ে নানা প্রশ্ন করতে পারেন। তাঁদের এত প্রশ্নের জবাব যেন দিতে না হয়, সে জন্য এই লেখা দেওয়া হয়েছে।