ad
ad

Breaking News

PM Modi

নরওয়েতে সাংবাদিক-সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে প্রশ্নের মুখে মোদি, পাল্টা কী জানাল ভারত?

নরওয়ে সফরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে প্রধানমন্ত্রী মোদি। বিদেশ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব সিবি জর্জের চাঁচাছোলা জবাবে আসর ছাড়লেন ডাচ সাংবাদিক।

PM Modi Norway visit press freedom minority rights

চিত্র- সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: পাঁচ দেশের মেগা আন্তর্জাতিক সফরে গিয়ে ইউরোপের মাটিতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। নেদারল্যান্ডস সফর শেষ করে সোমবারই নরওয়ের অসলোতে পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছনোর পরেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একাংশ ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সংখ্যালঘু পরিস্থিতি এবং সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই বিষয়ে নীরব থাকলেও, ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করতে আসরে নামেন বিদেশ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব সিবি জর্জ।

নেদারল্যান্ডস ও নরওয়ের যৌথ ‘অ্যাটাক’

সম্প্রতি ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস’ (RSF)-এর ২০২৬ সালের বার্ষিক রিপোর্টে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ভারতকে ১৫৭ নম্বরে রাখা হয়েছে। কাকতালীয়ভাবে, এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে এবং দ্বিতীয় স্থানে নেদারল্যান্ডস। মোদি নেদারল্যান্ডসে পা রাখার আগেই ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জিতেন মন্তব্য করেছিলেন যে, ভারতের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের সরকার চিন্তিত। এরপর নরওয়েতেও এক ডাচ সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, এই সমস্ত বিতর্কের কারণেই কি মোদি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন এড়িয়ে যাচ্ছেন? এবং ভারতকে কি আদৌ বিশ্বাস করা যায়?

সাংবাদিক বৈঠকে পাল্টা বিশেষ সচিবের

অসলোর সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্নের তীব্র ও চাঁচাছোলা জবাব দেন বিশেষ সচিব সিবি জর্জ। বিদেশি সাংবাদিকদের জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি সাফ বলেন, “ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কতটা, তা প্রশ্নকর্তাদের ধারণার বাইরে। শুধু আমাদের রাজধানী দিল্লিতেই অন্তত ২০০টি ২৪ ঘণ্টার নিউজ চ্যানেল রয়েছে, যারা প্রতিদিন ব্রেকিং নিউজ এবং সরকারের সমালোচনা চালাচ্ছে। সমালোচকরা আসলে কিছু মূল্যহীন এবং অপ্রাসঙ্গিক এনজিও-র তৈরি করা এজেন্ডাভিত্তিক রিপোর্ট পড়েন, যার কোনো ভিত্তি নেই।”

তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ভারতীয় সংবিধান দেশের প্রতিটি নাগরিককে সমানাধিকার দিয়েছে এবং সেখানে বৈষম্যের কোনো জায়গা নেই। ভারতের এই অনমনীয় ও কড়া জবাব শোনার পর ক্ষোভে ও অস্বস্তিতে প্রেস কনফারেন্স রুম ছেড়ে বেরিয়ে যান ওই বিদেশি সাংবাদিক। কূটনৈতিক মহলের মতে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতকে কোণঠাসা করার পশ্চিমা মিডিয়ার এই চেষ্টা নতুন দিল্লির কড়া অবস্থানের সামনে আরও একবার মুখ থুবড়ে পড়ল।