ad
ad

Breaking News

এফ-১৬ আধুনিকীকরণে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি পাকিস্তানের

এই চুক্তিতে শুধু পাকিস্তান নয়, আরও একাধিক দেশও আমেরিকার সঙ্গে একই ধরনের সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে।

pakistan-f16-us-488-million-upgrade-deal

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: সামরিক শক্তিবৃদ্ধিতে মনোনিবেশ করেছে পাকিস্তান।সেই লক্ষ্যেই এবার আমেরিকার সঙ্গে বড়সড় প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে হাঁটল শাহবাজ শরিফ সরকার। পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পাকিস্তানের হাতে থাকা এফ-১৬ যুদ্ধবিমানগুলিকে প্রযুক্তিগতভাবে আরও আধুনিক করে তুলতে আমেরিকার সঙ্গে ৪৮৮ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে ইসলামাবাদ।

এই মুহূর্তে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধবিমান হল আমেরিকা থেকে কেনা এফ-১৬। নতুন চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধবিমানের রাডার সিস্টেমের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হবে। ফলে এফ-১৬-এ ব্যবহৃত এপিজি-৬৬ এবং এপিজি-৬৮ রাডার সিস্টেম আরও কার্যকর ও কৌশলগতভাবে উন্নত হবে বলে দাবি। সূত্রের খবর, এই আধুনিকীকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে আমেরিকার মাটিতেই। এবং তা চলবে দীর্ঘ সময় ধরে—২০৩৬ সাল পর্যন্ত।

এই চুক্তিতে শুধু পাকিস্তান নয়, আরও একাধিক দেশও আমেরিকার সঙ্গে একই ধরনের সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। তালিকায় রয়েছে বাহরাইন, বেলজিয়াম, চিলি, ডেনমার্ক, মিশর, গ্রিস, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, ইজরায়েল, জর্ডান, দক্ষিণ কোরিয়া, মরক্কো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, ওমান, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, থাইল্যান্ড এবং তুরস্ক—যারা আমেরিকার কাছ থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কিনেছে।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের এফ-১৬ আধুনিকীকরণে মার্কিন সহায়তা নতুন নয়। এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থা (ডিএসসিএ) পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান উন্নত করতে কংগ্রেসকে ৬৮৬ মিলিয়ন ডলারের পৃথক একটি প্যাকেজের বিষয়ে অবহিত করেছিল। ওই প্যাকেজে ছিল লিংক-১৬ ট্যাকটিক্যাল ডেটা সিস্টেম, ক্রিপ্টোগ্রাফিক সরঞ্জাম, এভিওনিক্স আপগ্রেড, প্রশিক্ষণ সহায়তা সহ একাধিক প্রযুক্তিগত উন্নয়ন। পাশাপাশি আইডেন্টিফিকেশন ফ্রেন্ড-অর-ফো সিস্টেম, নির্ভুল নেভিগেশন টুলস এবং সুরক্ষিত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নও অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের কার্যক্ষমতার মেয়াদ ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো। যদিও পাকিস্তান তাদের যুদ্ধবিমান শক্তিবৃদ্ধিতে ব্যস্ত হলেও ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে এই চুক্তি নিয়ে বিশেষ উদ্বেগ নেই বলেই মত যুদ্ধবিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাঁদের মতে, এই আপগ্রেড মূলত রাডার সিস্টেমের উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ভারতের হাতে থাকা অত্যাধুনিক রাফাল যুদ্ধবিমান এবং উন্নত প্রযুক্তির তুলনায় এফ-১৬-র এই আপগ্রেড কৌশলগত ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনবে না।