ad
ad

Breaking News

Nobel Peace Prize Controversy

নোবেল কি তবে এখন ট্রাম্পের? পুরস্কার হস্তান্তরের পর বড় ব্যাখ্যা দিল নরওয়ের নোবেল কমিটি

বিতর্কের অবসান ঘটাতে নরওয়ের নোবেল কমিটি একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে পুরো বিষয়টি খোলসা করেছে।

Nobel Peace Prize Controversy

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে যে মাচাদোর দেওয়া সেই পুরস্কার ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রহণ করেছেন এবং তা নিজের কাছেই রাখতে চান। এই নজিরবিহীন ঘটনার প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে যে অর্জিত নোবেল পুরস্কার কি অন্য কাউকে এভাবে দিয়ে দেওয়া সম্ভব এবং এতে কি পুরস্কার প্রাপকের নাম বদলে যায়। বিতর্কের অবসান ঘটাতে নরওয়ের নোবেল কমিটি একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে পুরো বিষয়টি খোলসা করেছে।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণার সময় থেকে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে বিশ্বের আটটি যুদ্ধ থামানোর কৃতিত্বের জন্য এই পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য। তবে শেষ পর্যন্ত নোবেল কমিটি মাচাদোকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ৩ জানুয়ারি আমেরিকার বাহিনী ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মাচাদো। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাতেই তিনি হোয়াইট হাউসে গিয়ে নিজের পুরস্কারটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেন।

মাচাদো শুধুমাত্র নোবেল পদকই পাননি, তার সাথে একটি ডিপ্লোমা এবং পুরস্কারমূল্য হিসেবে প্রায় ১১ লক্ষ ৯০ হাজার মার্কিন ডলারও পেয়েছেন। নোবেল কমিটি তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে পদক, নথিপত্র বা অর্থ যাই হোক না কেন, বিজয়ী সেগুলো নিয়ে কী করবেন তা সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি চাইলে তা নিজের কাছে রাখতে পারেন অথবা অন্য কাউকে দান করতে বা বিক্রি করে দিতে পারেন। এই ক্ষেত্রে নোবেল ফাউন্ডেশনের কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে ইতিহাসের পাতায় মূল বিজয়ীর নামই অমর হয়ে থাকবে এবং কমিটির দ্বারা মনোনীত ব্যক্তির সম্মান ও স্বীকৃতি অপরিবর্তনীয় থাকবে। নোবেল কমিটি তাদের বিবৃতিতে সরাসরি ট্রাম্প বা মাচাদোর নাম না নিলেও তারা মনে করিয়ে দিয়েছে যে পুরস্কার হস্তান্তরের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে ২০২২ সালে দিমিত্রি মুরাটোভ ইউক্রেনের উদ্বাস্তু শিশুদের সহায়তার জন্য নিজের নোবেল পদকটি ১০ কোটি ডলারে বিক্রি করেছিলেন।