ad
ad

Breaking News

Nepal Political Crisis

ক্ষোভ অব্যাহত নেপালে, উপপ্রধানমন্ত্রী সহ ১০ মন্ত্রীর ইস্তফা, দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর?

এরই মাঝে নেপালের এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, চিকিৎসার নাম করে দেশ ছেড়ে বিদেশে পালানোর পরিকল্পনা করছেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা।

Nepal Political Crisis: 9 Ministers Resign, PM May Leave Country

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: সোমবারের মতো মঙ্গলবারও তরুণ সমাজের ক্ষোভের মুখে নেপাল। প্রবল আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ কাঠমান্ডু সহ একাধিক শহর। পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এবার কী পতন ঘটবে ওলি সরকারের? উঠছে প্রশ্ন। এই পর্যন্ত উপপ্রধানমন্ত্রী সহ মোট ১০ মন্ত্রী ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। আর এরই মাঝে নেপালের এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, চিকিৎসার নাম করে দেশ ছেড়ে বিদেশে পালানোর পরিকল্পনা করছেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা (Nepal Political Crisis)।

জনরোষে নড়বড়ে সরকার সোমবার গভীর রাতেই সোশাল মিডিয়ার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বাধ্য হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে খবর মিলেছে, উপপ্রধানমন্ত্রী-সহ নয়জন মন্ত্রী একযোগে ইস্তফা দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী, বন মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী, আইন মন্ত্রী, ক্রীড়া মন্ত্রী, জল সরবরাহ মন্ত্রী সহ শক্তিমন্ত্রীও। সূত্রের দাবি, বড় বিপদ এড়াতে প্রধানমন্ত্রী ওলি দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখলে তিনি দুবাই উড়ে যেতে পারেন বলে সম্ভাবনা তুঙ্গে (Nepal Political Crisis)।

সোমবার সোশাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে শুরু হওয়া তরুণদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন রাতের মধ্যেই হিংসাত্মক রূপ নেয়। পুলিশ এমনকি সেনার প্রতিরোধেও বিক্ষোভকারীদের থামানো যায়নি। সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২১ জন, আহত হয়েছেন শত শত তরুণ বিপ্লবী। এর পরেও আন্দোলন থামেনি। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ওলি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ডাক দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখায় জনতা। পুলিশ ও সেনার গুলিতে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। চাপে পড়ে প্রধানমন্ত্রী ওলি সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক দিয়েছেন।

এদিকে সোমবারই ইস্তফা দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক। মঙ্গলবার তাঁর বাসভবনে আগুন ধরিয়ে দেয় একদল ক্ষুব্ধ জনতা (Nepal Political Crisis)। একইসঙ্গে বিভিন্ন শহরে প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালানো হয়। কির্তিপুর পৌরসভা ভবনে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এমনকি নেপাল কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট শের বাহাদুর দেউবার বাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাড়িও জনরোষ থেকে রেহাই পায়নি। বিদ্রোহীরা সেখানে ইট-পাথর ছুড়ে বাড়ির একাংশে আগুন ধরিয়ে দেয়। উপ-প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতেও পাথর ছোড়া হয়। এরপরেই তিনি ইস্তফা দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।