চিত্র- সংগৃহীত
Ak Bangla Desk: মাত্র ১৮ বছর বয়সেই কলেজের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়ে বিশ্বজুড়ে নজির গড়লেন মার্কিন তরুণ নাথান থমাস। ফ্লোরিডার মায়ামি ডেড কলেজ-এ প্রফেসর হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ পুরুষ অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রায় ৩০৬ বছরের পুরনো একটি রেকর্ড ভেঙেছেন। গিনেস কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নাথান ২০০৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২৩ সালের অগস্টে, মাত্র ১৮ বছর ৩৪৬ দিন বয়সে ডেড কলেজে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের পর সম্প্রতি তাঁর এই কৃতিত্বকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।
নাথানের শিক্ষাজীবনও সমান বিস্ময়কর। মাত্র ১০ বছর বয়সেই তিনি ডেড কলেজে পড়াশোনা শুরু করেন। এরপর ১৪ বছর বয়সে ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-তে ভর্তি হন। যখন অধিকাংশ কিশোর-কিশোরী স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজে প্রবেশের প্রস্তুতি নেয়, তখন নাথান অনার্স-সহ ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করে ফেলেছেন। বর্তমানে তিনি নিজের বয়সি এবং কিছু ক্ষেত্রে নিজের চেয়েও বয়সে বড় ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করছেন। অল্প বয়সেই শিক্ষক হিসেবে তাঁর সাফল্য বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়ে অসাধারণ মেধাবী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে নাথানের নাম এখন নতুন সংযোজন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সুবর্ণ বারি মাত্র ১২ বছর বয়সে স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি-তে ভর্তি হয়ে চমক সৃষ্টি করেছিলেন। অসামান্য মেধার জন্য তাঁকে পরবর্তীতে মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়-এ পদার্থবিদ্যার অতিথি অধ্যাপক হওয়ার আমন্ত্রণও জানানো হয়। তাঁর শিক্ষাজীবনে একাধিক শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার বিরল নজিরও রয়েছে।
অসাধারণ মেধা, অদম্য অধ্যবসায় এবং অল্প বয়সেই উচ্চশিক্ষায় সাফল্যের মাধ্যমে নাথান থমাস প্রমাণ করে দিলেন, বয়স নয়, যোগ্যতা ও নিষ্ঠাই সাফল্যের আসল পরিচয়।