চিত্রঃ সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা ‘ল্যান্ডস্পেস’-এর জুছে-৩ (Zhuque-3) রকেট তার প্রথম মহাকাশ অভিযানে আংশিক সাফল্য পেলেও, মূল লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। বুধবার ‘জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার’ থেকে উৎক্ষেপণ করা এই মিথেন-জ্বালানির রকেটটি পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে একটি ডামি পেলোড সফলভাবে স্থাপন করতে পারলেও, স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯-এর মতো এটিকে সফলভাবে পৃথিবীতে অবতরণ করানোর ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে (LandSpace Zhuque)।
আরও পড়ুনঃ Putin’s India Visit: পুতিন আসার আগেই ভারতের জন্য বিরাট সামরিক পদক্ষেপ!
৬৬ মিটার দীর্ঘ এই জুছে-৩ রকেটটিকে ‘পুনর্ব্যবহারযোগ্য’ (Reusable) বলে দাবি করেছিল ল্যান্ডস্পেস সংস্থা। ডামি পেলোড সফলভাবে স্থাপনের পরে রকেটটির স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি বুস্টারটি গোবি মরুভূমির কাছে অবতরণের চেষ্টা করে। কিন্তু উৎক্ষেপণের প্রায় সাড়ে আট মিনিট (৮.৫ মিনিট) পরে অবতরণের সময় বুস্টারটিতে মাঝ-আকাশে আগুন ধরে যায় এবং সেটি মিনকিন কাউন্টিতে ভেঙে পড়ে। এই দুর্ঘটনার ফলে রকেটটি পুনর্ব্যবহারের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলো। এটিই ছিল চিনের পক্ষ থেকে প্রথম কোনো অরবিটাল-ক্লাস বুস্টার পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা ‘পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট প্রযুক্তি’তে আমেরিকার একচেটিয়া আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চেয়েছিল। তবে আজকের পরীক্ষার ফলাফল থেকে স্পষ্ট যে, চিন এখনও মহাকাশ অভিযানে আমেরিকাকে টক্কর দেওয়ার মতো অবস্থানে পৌঁছয়নি (LandSpace Zhuque)।
Bangla Jago fb page: https://www.facebook.com/share/17CxRSHVAJ/
তবে রকেটটি বুস্টার পুনরুদ্ধারে ব্যর্থ হলেও ডামি পেলোডটিকে পৃথিবীর কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপন করেছে। এর ফলে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক মহাকাশ অভিযানের জন্য ল্যান্ডস্পেসের জুছে-৩ রকেটের নকশাটিকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রকেটটির ধ্বংসাবশেষ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ল্যান্ডস্পেস জানিয়েছে, পুনর্ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঠিক কী ত্রুটি ছিল, তা দ্রুত শনাক্ত করে সংশোধন করা হবে। তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হল—এই বুস্টারগুলিকে এমনভাবে তৈরি করা, যাতে অন্তত ২০টি মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে সেগুলিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায়। এই পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তিতে সাফল্য এলে মহাকাশ অভিযানের খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে (LandSpace Zhuque)।