ad
ad

Breaking News

Jeffrey Epstein

টেস্টোস্টেরনের অভাব থেকে যৌনরোগ: প্রকাশ্যে এপস্টিনের গোপন মেডিক্যাল রিপোর্ট!

প্রকাশ্যে আসা নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে, এপস্টিন ও তাঁর চিকিৎসকদের মধ্যে চালাচালি হওয়া বহু ই-মেল।

jeffrey-epstein-medical-report-reveals-stds-low-testosterone

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: এপস্টিন ফাইল ঘিরে বিতর্ক যখন চরমে, ঠিক সেই সময় প্রকাশ্যে এল যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের মেডিক্যাল রিপোর্ট। ওই রিপোর্টে উঠে এসেছে, জীবনের শেষ কয়েক বছরে তিনি একাধিক যৌনরোগে আক্রান্ত ছিলেন। পাশাপাশি তাঁর শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও অস্বাভাবিকভাবে কমে যাচ্ছিল, যা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগে ভুগছিলেন।

প্রকাশ্যে আসা নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে, এপস্টিন ও তাঁর চিকিৎসকদের মধ্যে চালাচালি হওয়া বহু ই-মেল। এর মধ্যে একটি মেলে ‘ডক্টর ম্যাক্সম্যান’ নামে এক চিকিৎসক তাঁকে যৌনাঙ্গবর্ধক ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন। এমন ধরনের আরও একাধিক মেলের সন্ধান মিলেছে। ই-মেলগুলোতে এ-ও দেখা যায়, যৌন উত্তেজনাবর্ধক ওষুধ নিয়ে তরুণদের সঙ্গে আগ্রহের সঙ্গে আলোচনা করতেন এপস্টিন।

মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী, শেষ কয়েক বছরে এপস্টিনের শরীরে প্রতি ডেসিলিটারে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ছিল মাত্র ১২৫ থেকে ১৪২ ন্যানোগ্রাম। যেখানে একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক পুরুষের শরীরে এই মাত্রা সাধারণত প্রতি ডেসিলিটারে প্রায় ৩০০ ন্যানোগ্রাম হওয়ার কথা। টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি ও যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া নিয়ে তিনি এতটাই চিন্তিত ছিলেন যে, ২০১৫ সালে চিকিৎসকদের ই-মেল করে এর সমাধান চেয়েছিলেন।

একজন চিকিৎসক তাঁকে ক্লোমিড জাতীয় ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিলেও, সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানতে পেরে ২০১৬ সালেই সেই ওষুধ সেবন বন্ধ করে দেন এপস্টিন। রিপোর্টে আরও উল্লেখ রয়েছে, তাঁর মূত্রে রক্তের উপস্থিতি ধরা পড়েছিল এবং শরীরের একাধিক অঙ্গে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল।

এদিকে শুক্রবার মার্কিন বিচার দফতর এপস্টিন ফাইলের প্রায় ৩০ লক্ষ পাতা প্রকাশ্যে এনেছে। এই বিপুল নথির মধ্যে রয়েছে প্রায় ২ হাজার ভিডিও এবং ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি। এর আগে প্রকাশিত ফাইলগুলিতে জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনকে।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে নাবালিকা ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের অভিযোগে এপস্টিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। পরে ২০১৯ সালের অগস্টে গ্রেফতারির প্রায় এক মাসের মাথায় জেলেই আত্মহত্যা করেন তিনি। ঘরে ও বাইরে ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে এপস্টিন সংক্রান্ত সমস্ত ফাইল প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন প্রশাসন।