ad
ad

Breaking News

Iran

তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর জরুরি ভিত্তিতে গতিপথ বদলাল আন্তর্জাতিক বিমানগুলি

হামলার তীব্রতা এতটাই ছিল যে তেহরানের একাধিক এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

israel-strikes-iran-tehran-khamenei-office-airspace-closed-2026

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: পশ্চিম এশিয়ার আকাশ জুড়ে ফের যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনিয়ে এল। শনিবার সকালে ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে উঠল ইরানের রাজধানী তেহরান। এই অতর্কিত ও ভয়াবহ হামলার পরপরই নিরাপত্তার খাতিরে ইরানের আকাশপথ অসামরিক বিমান চলাচলের জন্য পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকারগুলিতে দেখা যাচ্ছে, তেহরানের ওপর দিয়ে নির্ধারিত সবকটি আন্তর্জাতিক বিমান জরুরি ভিত্তিতে তাদের গতিপথ পরিবর্তন করছে। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্রের দাবি, এটি একটি ‘প্রতিরোধমূলক’ (Pre-emptive) মিসাইল হামলা, যার পরিকল্পনা গত কয়েক মাস ধরেই চলছিল।

হামলার তীব্রতা এতটাই ছিল যে তেহরানের একাধিক এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর কার্যালয়ের ঠিক কাছাকাছি এলাকাকে লক্ষ্য করেই এই মিসাইল ছোঁড়া হয়েছে। হামলার সময় ৮৬ বছর বয়সী খামেনেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইরান পাল্টা আক্রমণ চালাতে পারে—এই আশঙ্কায় তেল আভিভ-সহ ইজরায়েলের বিভিন্ন প্রান্তে সতর্কতা মূলক সাইরেন বাজানো শুরু হয়েছে এবং ইজরায়েলও তাদের নিজস্ব আকাশপথ বন্ধ করে দিয়েছে।

এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মূলে রয়েছে ইরানের বিতর্কিত পরমাণু কর্মসূচি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে তাদের পরমাণু ও ব্যালিস্টিক মিসাইল গবেষণা পুরোপুরি বন্ধ করার জন্য চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরান যেন অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ না করে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের তাদের পরমাণু কেন্দ্রে অবাধ প্রবেশের অনুমতি দেয়। যদিও তেহরান বারবার এই কর্মসূচিকে ‘শান্তিপূর্ণ’ বলে দাবি করে আসছিল, কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসে দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই এই সামরিক অভিযান শুরু হলো। এই হামলার ফলে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে।