চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk: ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে ইরানে বড়সড় সামরিক হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের চার জন শীর্ষ সেনাকর্তা ও ছয় জন পরমাণু বিজ্ঞানী। মৃত্যু হয়েছে সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল মহম্মদ বাগেরির। এই ঘটনার নেপথ্যে আমেরিকার সমর্থন রয়েছে বলেই মনে করছে তেহরান। তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘কিছুই করার ছিল না’। সেইসঙ্গে তিনি এও জানিয়ে দিয়েছেন, হামলার আগাম খবর তাঁর কাছে ছিল এবং তা ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ইরানের ‘অনমনীয়’ অবস্থানের কারণেই তা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি (Trump)।
[আরও পড়ুনঃ 21st July: একুশের আবেগে বাংলায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যভেদ]
রবিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ ট্রাম্প লেখেন, ‘ ইরানে হামলা নিয়ে আমেরিকার কিছুই করার ছিল না। তবে যদি আমেরিকার উপর কোনও রকম হামলা হয়, তাহলে এমন প্রত্যাঘাত হবে, যা বিশ্ব আগে দেখেনি।’ তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ইরানকে সরাসরি হুঁশিয়ারি বলেই দেখছেন। ট্রাম্প আরও বলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর আগেই ফোনে কথা হয়েছে। সেখানে ইজরায়েল হামলা চালালে আমেরিকা বাধা দেবে না— এই বার্তা স্পষ্ট করে দেন তিনি। এই হামলার জবাবে ইতিমধ্যেই পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে ইরান। পাশাপাশি আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সকেও হুমকি দিয়ে জানিয়েছে, ইজরায়েলকে সাহায্য করলে তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলিও নিশানা করা হবে। এমনকি রবিবার ওমানে আমেরিকার সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করে দিয়েছে তেহরান।
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial/]
বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তেজনার মূলে রয়েছে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরান ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধতায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে বলে খবর। এই হার আরও কয়েক শতাংশ বাড়লেই তা পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠবে। আর তা যে আমেরিকা কিছুতেই মেনে নেবে না, সে বার্তাই ফের একবার স্পষ্ট করলেন ট্রাম্প । বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় পরিস্থিতি রীতিমতো জটিল হয়ে উঠেছে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের আবহে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে (Trump)।