ad
ad

Breaking News

Ebrahim Raisi

ইব্রাহিম রইসির মৃত্যুর দিনটিকে শহীদ দিবস হিসাবে ঘোষণা করল ইরান

দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সর্বোচ্চ পরিষদের আদেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

Iran declared the day of Ibrahim Raisi's death as Martyr's Day

চিত্র - সংগৃহীত

Bangla Jago Desk : ২০২৪ সালে ১৯ মে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির। একই সঙ্গে মারা গিয়েছিলেন সেদেশের বিদেশ মন্ত্রী হোসেন আমিরাবদোল্লাহিয়ানও। আর এই দিন যাতে ইরানবাসীরা স্মরণীয় করে রাখেন তার জন্য এই দিনটিকে শহীদ দিবস হিসাবে ঘোষণা করল ইরান। এই দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সর্বোচ্চ পরিষদের আদেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি বছর থেকেই দেশের নাগরিক এই দিনটিকে শহীদ দিবস হিসাবে পালন করবেন। 

[আরও পড়ুন : ট্যাব দুর্নীতির পর এবার আবাসেও কারচুপি! উদ্বিগ্ন নবান্ন] 

এখনও রইসির মৃত্যু নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। দিনটি ছিল ১৯ শে মে ২০২৪ সাল, রবিবার প্রথমে জানা যায় পর্বতে ধাক্কা লেগে ভেঙে পড়ে রইসির চপার। ওই চপারেই প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। সেই সময় জানা যায় একটি পার্বত্য অঞ্চল পেরতেই চপারের পাইলট নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে চপারের। ওই পার্বত্য অঞ্চলের আসপাশে চলছিল প্রবল বৃষ্টি এবং চারিদিক ঢেকে গিয়েছিল কুয়াশায়, যে কারণে দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল চপারের পাইলটকে। সেই সময় প্রেসিডেন্টের দুর্ঘটনাগ্রস্থ চপারে একাধিক অংশে ভেঙে তুবড়ে গিয়েছিল। এমনকি আগুনও ধরে যায় চপারটিতে। চপারের অধিকাংশ অংশ পাওয়া যায় পোড়া অবস্থায়। সবচেয়ে বেশি খতিগ্রস্থ হয় চপারের কেবিন।

[ আরও পড়ুন:সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে গিয়ে বাধার মুখে বিএসএফ, বেপরোয়া বাংলাদেশ]

আসলে ওই দিন প্রেসিডেন্ট এবং বিদেশ মন্ত্রী যাচ্ছিলেন আজারবাইজান। এই দুর্ঘটনা ঘটে আজারবাইজানের সীমান্তে অবস্থিত শহরের কাছে। যা ইরান থেকে ৬০০ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত। যদিও এই দুর্ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা চলেছে। অনেকের মতে এই দুর্ঘটনার পিছনে ছিল বিরাট বড় ষড়যন্ত্র। এখনও পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু নিয়ে চলে নানা আলোচনা।