ad
ad

Breaking News

Donald Trump

খামেনেই অতীত, ইরানের নয়া শাসক হিসেবে ৩ জনের নাম চূড়ান্ত করে ফেললেন ট্রাম্প?

এই ঘটনার পর থেকেই পশ্চিম এশিয়া কার্যত বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, বাহরিন ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পালটা হামলা শুরু করেছে ইরান।

iran-conflict-trump-5-week-war-update

ছবি : সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার চলমান সংঘাত এক নতুন মোড় নিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলা আরও চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ট্রাম্পের দাবি, এই দীর্ঘমেয়াদী অভিযানে আমেরিকার কোনও প্রতিকূলতা হবে না এবং ইজরায়েলও মার্কিন সমর্থন পেয়ে যাবে। প্রায় ছয় মিনিটের ওই ফোনালাপে তিনি ইরানের ভবিষ্যৎ শাসনভার নিয়েও ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্পের মতে, খামেনেই-পরবর্তী ইরান পরিচালনার জন্য তাঁর কাছে তিনটি বিশেষ নাম রয়েছে, তবে রণকৌশলগত কারণে এখনই সেই নামগুলি তিনি প্রকাশ্যে আনতে চান না।

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের ক্ষমতা সামলানো আয়াতোল্লা খামেনেইকে গত শনিবার তেহরানে এক যৌথ অভিযানে হত্যা করে মার্কিন ও ইজরায়েলি সেনা। এই ঘটনার পর থেকেই পশ্চিম এশিয়া কার্যত বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, বাহরিন ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পালটা হামলা শুরু করেছে ইরান। একইসঙ্গে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লার সঙ্গেও ইজরায়েলের সংঘর্ষ তীব্রতর হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প আশা করছেন যে, খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের সেনাবাহিনী হয়তো দেশের সাধারণ মানুষের কাছে আত্মসমর্পণ করবে। অন্যথায় ভেনেজুয়েলার মতো কঠোর নীতি ইরানের ওপর প্রয়োগ করা হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।

বাস্তবিকভাবে ইরান কিন্তু নতিস্বীকারের কোনও লক্ষণ দেখাচ্ছে না। খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর দেশটি তিন সদস্যের একটি কাউন্সিল গঠন করেছে এবং খামেনেই ঘনিষ্ঠ আলিরেজা আরাফিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তেহরান ইতিমধ্যেই এই হত্যার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। অন্যদিকে, ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ইরানকে ‘শিক্ষা’ দিতে তিনি অন্য কোনও আরব দেশের সামরিক সাহায্য চান না; আমেরিকা ও ইজরায়েলের সেনাবাহিনীই এই যুদ্ধের জন্য যথেষ্ট। দুই দেশের এই অনমনীয় মনোভাব মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও অনিশ্চিত করে তুলছে।