চিত্রঃ সংগৃহীত
AK Bangla 24×7 Digital: ২০২৪ সালে বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির মাধ্যমেই ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছিল। সম্প্রতি নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলন এবং স্বদেশে ফেরার ঘোষণার পর সেই কূটনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। হাসিনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই চাপ এখন তারেক রহমান সরকারের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আগামী সেপ্টেম্বরের ১২ ও ১৩ তারিখ নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে নয়াদিল্লিতে হাসিনার সক্রিয়তার পর তারেকের প্রস্তাবিত ভারত সফর এড়ানোর জল্পনা শুরু হয়েছে, যা এই দ্বিপাক্ষিক সফরকে কিছুটা অনিশ্চিত করে তুলেছে।
এই জল্পনার আবহেই বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী কূটনৈতিক সমাধানের বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের দুই শীর্ষনেতার মুখোমুখি বৈঠক হলে একাধিক সমস্যার জট খুলে যাবে। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে যে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে দিল্লির কোনো ভূমিকা ছিল না। কূটনীতিকরা মনে করছেন, দুই দেশের স্বার্থেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করা প্রয়োজন, আর তাই প্রস্তাবিত ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে নরেন্দ্র মোদী ও তারেক রহমানের আলোচনা দু’দেশের সম্পর্ককে ইতিবাচক মোড় দিতে পারে।