চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk: ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও, সংঘর্ষবিরতি কার্যত স্থায়ী হয়নি। নিত্যদিনই সীমান্ত এলাকায় চোরাগোপ্তা হামলার ঘটনা ঘটছে। এরই মধ্যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামাসকে অস্ত্র সমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। চুক্তিতেও অস্ত্র সমর্পণের শর্ত রয়েছে।
তবে হামাস এবার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা পুরোপুরি অস্ত্র সমর্পণ করবে না। হামাসের শীর্ষ নেতা খালেদ মেশাল একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “সম্পূর্ণ অস্ত্র সমর্পণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে আমরা নিশ্চয়তা দিতে পারি যে, অস্ত্র ব্যবহার করা হবে না।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাস্তবসম্মতভাবে বিষয়টি দেখলে আমেরিকাও এতে রাজি হবে।
চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে গাজা থেকে ইজরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা রয়েছে। সেই স্থানে মোতায়েন করা হবে আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা বাহিনী। চুক্তিতে বলা হয়েছিল, হামাসকেও পুরোপুরি অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে। কিন্তু মেশালের কথায়, “একজন প্যালেস্তিনীয়র কাছে অস্ত্র তার আত্মা। সেটি পুরোপুরি ত্যাগ করা সম্ভব নয়। আমাদের অন্য সমাধান খুঁজতে হবে।”
সংঘর্ষবিরতির প্রথম ধাপে হামাস ৪৮ জন জীবিত ও মৃত বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। পাল্টা ইজরায়েলও ২০০০ প্যালেস্তিনীয় বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে এবং কয়েকশো মৃতদেহ ফেরত দিয়েছে। এছাড়া গাজা ও ইজরায়েল সীমান্তে আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে মেশালের মতে, “সীমান্তে শান্তি বাহিনী মোতায়েন হোক। কিন্তু গাজায় মোতায়েন করলে আমরা এটিকে দখলদারির চেষ্টা হিসেবে দেখব। লেবাননে যেমন UNIFIL সীমান্তে কাজ করে, সেই রকম হলে আমাদের আপত্তি নেই।”
মেশাল আরও বলেন, “যুদ্ধ সবসময় ইজরায়েলের দিক থেকেই শুরু হয়। হামাসের পক্ষ থেকে কোনও ঝুঁকি নেই।”