চিত্রঃ নিজস্ব গ্রাফিক্স
Bangla Jago Desk: গাজার সঙ্গে সংঘর্ষ থামানোর সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে বড় অগ্রগতি হয়েছে, এবং গাজায় শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় তাঁরা এখন খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। মঙ্গলবার ইরান ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করতেই পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। আর সেই ঘোষণার নেপথ্যে নিজের কূটনৈতিক হস্তক্ষেপকেই কৃতিত্ব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump)। এবার গাজার দিকেও যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত মিলেছে।
[আরও পড়ুন: Tantric: তন্ত্রসাধনার ভাঁওতা দিয়ে এক কিশোরীকে নির্যাতনের অভিযোগ তান্ত্রিকের বিরুদ্ধে ]
বুধবার এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমার মনে হয় গাজায় বিরাট অগ্রগতি হচ্ছে। তাঁর কথায়, গাজায় হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনার পেছনে একাধিক দেশের কূটনৈতিক চাপ কাজ করছে। কাতার জানিয়েছে, তারা নতুন করে যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ তৈরি করছে। পাশাপাশি, হামাসের তরফে বলা হয়েছে, কাতার ও মিশরের সঙ্গে তাদের আলোচনা আগের চেয়ে আরও তীব্র হয়েছে।(Donald Trump)
FB link: https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial
হামাস নেতা তাহের আল-নুনু বলেন, ‘ সাম্প্রতিক সময়ে মিশর ও কাতারের মতো বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং তা আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয়।’ তবে, এখনও পর্যন্ত হামাস কোনও নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব হাতে পায়নি বলেও জানিয়েছে। ইজরায়েল এই প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেনি। যদিও শান্তি আলোচনা চলছে, গাজায় পরিস্থিতি এখনও রক্তাক্ত। মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসে একটি বিস্ফোরণে এক লেফটেন্যান্ট-সহ সাতজন ইজরায়েলি সেনার মৃত্যু হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় বুধবার ইজরায়েলি বাহিনী গাজার অসামরিক এলাকায় ভয়াবহ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। হামলায় অন্তত ৫১ জন নিরীহ প্যালেস্টাইনবাসী প্রাণ হারান।
গাজায় যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত যতই আশাব্যঞ্জক হোক না কেন, বাস্তব পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘর্ষ বন্ধ করে দুই পক্ষের টেবিলে বসা এখন সময়ের অপেক্ষা। আন্তর্জাতিক মহল, বিশেষত আমেরিকার সক্রিয় হস্তক্ষেপ ও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলির উদ্যোগে যদি যুদ্ধ থামে, তবে গাজায় বহুদিন পর শান্তির সম্ভাবনা জাগবে। তবে সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছে একটি প্রশ্ন— গাজায় কি এবার সত্যিই ফিরবে শান্তি?