ad
ad

Breaking News

Donald Trump: নিরাপত্তায় অতিরিক্ত কড়াকড়ি, ট্রাম্পের কারণে বিলম্ব ইউএস ওপেন ফাইনালে

ট্রাম্পের আগমনের কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোরতা এতটাই বাড়ানো হয় যে ম্যাচটি নির্ধারিত সময় দুপুর ২টার পরিবর্তে ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়।

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতি ২০২৫ সালের ইউএস ওপেন ফাইনালে (কার্লোস আলকারাজ ও ইয়ানিক সিনারের মধ্যকার ম্যাচ) নানা কারণে বিশেষভাবে আলোচিত হয়। নিউ ইয়র্কের আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই মহা-আয়োজনে ট্রাম্পের আগমনের সময় দর্শকদের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্র টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (USTA) সম্প্রচারকারীদের অনুরোধ করেছিল যাতে ট্রাম্পকে পর্দায় দেখানো হলে কোনো “বিরূপ প্রতিক্রিয়া বা বিশৃঙ্খলা” সম্প্রচারে না আসে। তবে ট্রাম্প যখন স্ক্রিনে ভেসে ওঠেন, তখন গ্যালারিজুড়ে ব্যাপক হুইসেল ও দুয়োধ্বনি শোনা যায়, যা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।(Donald Trump)

[আরও পড়ুনঃ Barrackpore: জয়রাইড চলাকালীন চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি, গ্রেফতার আইনের ছাত্র সহ ৩]

ট্রাম্পের আগমনের কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোরতা এতটাই বাড়ানো হয় যে ম্যাচটি নির্ধারিত সময় দুপুর ২টার পরিবর্তে ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়। দর্শকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে প্রবেশ করতে হয় এবং প্রত্যেককে আলাদাভাবে স্ক্যান ও তল্লাশি করা হয়, যার ফলে অনেকে ম্যাচ শুরুর আগেই স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারেননি। স্টেডিয়াম খালি দেখায় অনেকে বিস্মিত হন।(Donald Trump)

FB POST: https://www.facebook.com/Banglajagotvofficial

২০১৫ সালের পর এই প্রথমবার ট্রাম্প (Donald Trump) ইউএস ওপেনে উপস্থিত ছিলেন, তবে এবারে আমন্ত্রণ জানায়নি আয়োজকরা, বরং আমন্ত্রণ জানায় টুর্নামেন্টের স্পনসর রোলেক্স। বিষয়টি বেশ বিতর্ক তৈরি করে, কারণ ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় সুইজারল্যান্ডের ওপর ৩৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন। 

ট্রাম্প একা ছিলেন না—তার সঙ্গে ছিলেন জামাতা জ্যারেড কুশনার, নাতনি আরাবেলা কুশনার, মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বোনডি, মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট।

তার আগমনে দর্শকমহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ করতালি দিলেও, অধিকাংশ দর্শকই দুয়ো দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৫ সালেও ইউএস ওপেনে উপস্থিত হলে ট্রাম্প একই রকম প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলেন, তখন তিনি প্রথমবার প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিলেন।

তবে এসব বিতর্ক সত্ত্বেও ট্রাম্প নিয়মিত ক্রীড়া ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন। তিনি ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সুপার বোল ৫৯-এ উপস্থিত ছিলেন এবং জুলাইয়ে নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে চেলসির জয়ে পিএসজিকে হারানোর পর বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন।