ad
ad

Breaking News

‘মঙ্গলবার রাত ৮টায় ধ্বংস হবে ইরান’, ট্রাম্পের আল্টিমেটাম ঘিরে উত্তাল দুনিয়া! পাগলামি থামানোর ডাক নিজের দলেই

বিরোধীদের পাশাপাশি এবার রিপাবলিকান শিবিরের অন্দরেও ট্রাম্পের নীতি নিয়ে বিদ্রোহের সুর চড়তে শুরু করেছে।

Donald Trump Faces Internal Backlash Over Iran War Threat

চিত্রঃ সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং ‘নরকে পাঠানোর’ হুমকির জেরে এবার খোদ নিজের দেশেই বেনজির তোপের মুখে পড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার আবহে ট্রাম্পের রণংদেহি মেজাজকে ‘উন্মাদনা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন আইনসভার সদস্যরা। বিরোধীদের পাশাপাশি এবার রিপাবলিকান শিবিরের অন্দরেও ট্রাম্পের নীতি নিয়ে বিদ্রোহের সুর চড়তে শুরু করেছে।

মার্কিন আইনসভার ডেমোক্র্যাট সদস্য তথা প্রাক্তন সেনা আধিকারিক জেক অকিনসল রবিবার সাফ জানিয়েছেন, কৌশলগত দিক থেকে এই যুদ্ধ আমেরিকার জন্য এক বড় পরাজয়। তিনি বলেন, “কৌশলগত দিক থেকে এই যুদ্ধ একটা ব্যর্থতা। ইরান হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে কার্যত আমেরিকাকে কিস্তিমাত করে দিয়েছে।” অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট সদস্য রো খন্না অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি তুলে ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে বলেন, “উনি দাবি করছেন ইরানের সেনাবাহিনী দুর্বল, অথচ সেই ইরানেই মার্কিন সেনারা আক্রান্ত হচ্ছে। এখনই এই যুদ্ধ বন্ধ করা উচিত।”

সবচেয়ে বড় চমক এসেছে ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির ভেতর থেকে। কট্টরপন্থী নেত্রী মারজোরি টেলর গ্রিন খোদ প্রেসিডেন্টের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি কড়া সুরে বলেন, “প্রশাসনের সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে পুজো করা বন্ধ করুন। ওঁর এই পাগলামি থামাতে এবার পদক্ষেপ করা জরুরি।” ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের ভাষা এবং মঙ্গলবার রাত ৮টার ডেডলাইন দেওয়াকে ‘উন্মাদের আচরণ’ বলে তোপ দেগেছেন সেনেট সদস্য চাক স্কুমারও। কানেকটিকাটের সেনেটর ক্রিস মারফি তো আরও একধাপ এগিয়ে ট্রাম্পকে সরানোর জন্য সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের দাবি তুলেছেন।

এদিকে আমেরিকার এই অভ্যন্তরীণ গৃহযুদ্ধের সুযোগ নিতে ছাড়েনি তেহরান। ট্রাম্পের হুমকিকে নস্যাৎ করে ইরান তাঁকে ‘অসহায় ও ভারসাম্যহীন’ বলে বিদ্রূপ করেছে। ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সংঘাত বাড়লে আপনার জন্য গোটা পশ্চিম এশিয়াই নরকে পরিণত হবে। ইরানকে হারানোর স্বপ্ন আপনার স্বপ্নই থেকে যাবে।” সব মিলিয়ে ঘরের শত্রু বিভীষণে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন হোয়াইট হাউসের বর্তমান অধিপতি।