সংগৃহীত
Bangla Jago Desk: হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের জেরে বলি হচ্ছে কত শত সাধারন মানুষ। ইতিমধ্যে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজা, কিন্তু তাও থামছে না এই ভয়াবহ যুদ্ধ। চলতি সপ্তাহের বুধবার ইজরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৩৪ জন মানুষ। ইজরায়েলি সেনারা হামাস জঙ্গিদের শেষ করার তাগিদে রাষ্ট্রসংঘের একটি স্কুল সহ দুটি বাড়িতে বোমা একাধিক বোমা নিক্ষেপ করেছে। বহু প্যালেস্তিনীয় এই ভয়ঙ্কর যুদ্ধে নিজেদের ঘরবাড়ি, আপন-স্বজন হারিয়ে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ইজরায়েলি হামলার কারণে ওই স্কুলটি প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: Nabanna Meeting: বৃহস্পতিতে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসছে না নবান্ন, স্পষ্ট নয় দিনক্ষণ]
আন্তর্জাতিক মহলে গাজায় হওয়া যুদ্ধ নিয়ে একাধিক আলোচনা চলছে। কীভাবে থামানো সম্ভব এই ভয়ঙ্কর যুদ্ধ? তার উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত বিশ্ব। ক্রমাগত হামালা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। শুরুর দিন থেকে ইজরায়েল সেনা দাবি করে চলেছে যে, গাজার বিভিন্ন স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয়স্থান ও শরণার্থী শিবির প্রমুখ জায়গায় হামাসের জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। আর তার জেরেই নাকি এসব জায়গায় হামলা করছে তেল আভিভ। সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, ইজরায়েলি এই হামলায় নিহত হয়েছেন ৩৪ জন, তার মধ্যে মহিলা রয়েছেন ১৯ জন। গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে যে, এই হামলায় আহত হয়েছেন ১৮ জন। ইজরায়েলের তরফে এই হামলা প্রসঙ্গে বলা হয় যে, ওই সকল জায়গায় লুকিয়ে ছিল হামাসের একাধিক জঙ্গি।
[আরও পড়ুন: শহরের তিন প্রান্তে ইডির হানা, তালিকায় রয়েছে সন্দীপের পৈতৃক ভিটেও]
গত মঙ্গলবার ইজরায়েলি সেনারা দক্ষিণ গাজার খান ইউনুস ও আল-মাওয়াসি শহরে ভয়ংকর আঘাত হানে। গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর পরই শরণার্থী শিবির হিসাবে ওই সকল এলাকাগুলোকে সেফ জোন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। সেখানে প্রায় ১০ হাজারের অধিক প্যালেস্তিনীয় মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানকার ওই হামলার জেরে প্রান হারান অন্তত ৪০ জনের।