ad
ad

Breaking News

Cancer Vaccine

চিকিৎসা ক্ষেত্রে বড় সাফল্য, ১০০ শতাংশ সফল ক্যান্সার ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

চিকিৎসা পদ্ধতিটি ক্যান্সার কোষকে লক্ষ্য করে ধ্বংস করে। বড় আকারের টিউমার ছোট করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এটি জনসাধারণের জন্য চালু করার আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অনুমোদন প্রয়োজন।

Cancer Vaccine Enteromix Shows 100% Success in Clinical Trial

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: ক্যান্সারের বিরুদ্ধে পরীক্ষামূলক চিকিৎসায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এন্টারোমিক্স নামের একটি mRNA-ভিত্তিক ভ্যাকসিন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে কার্যকারিতা (Cancer Vaccine) ও সুরক্ষার প্রমাণ দিয়েছে বলে জানা গেছে।

চিকিৎসা পদ্ধতিটি ক্যান্সার কোষকে লক্ষ্য করে ধ্বংস করে। বড় আকারের টিউমার ছোট করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এটি জনসাধারণের জন্য চালু করার আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অনুমোদন প্রয়োজন।

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যবহৃত mRNA প্রযুক্তির আদলে তৈরি এন্টারোমিক্স রোগীর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রশিক্ষিত করে ক্যান্সার কোষ চিহ্নিত করতে। প্রচলিত কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশনের বিপরীতে এই ভ্যাকসিন প্রত্যেক রোগীর জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুত করা হয়। ট্রায়ালে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি (Cancer Vaccine)।

পূর্বে ঘোষণা করা হয়েছিল, রাশিয়ায় ৪৮ জন স্বেচ্ছাসেবককে নিয়ে এন্টারোমিক্স ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এটি রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ন্যাশনাল মেডিকেল রিসার্চ রেডিওলজিক্যাল সেন্টার এবং রাশিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেসের এঙ্গেলহার্ট ইনস্টিটিউট অফ মলিকিউলার বায়োলজি যৌথভাবে তৈরি করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভ্যাকসিনটিতে চারটি অক্ষতিকারক ভাইরাস ব্যবহার করা হয়, যা টিউমার কোষ আক্রমণ ও ধ্বংস করে এবং রোগীর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কয়েক বছরের প্রাথমিক পরীক্ষার পর দেখা গেছে, এটি টিউমারের বৃদ্ধি কমাতে এবং কিছু ক্ষেত্রে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে সক্ষম (Cancer Vaccine)।

জুন মাসে সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ফোরামে (SPIEF 2025) এই ট্রায়ালের সূচনা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। ফোরামে রাশিয়ার চিকিৎসা গবেষণা ও জৈবপ্রযুক্তি অগ্রগতির দিকগুলো উপস্থাপন করা হয়েছিল।

বর্তমানে ভ্যাকসিনটির চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের অপেক্ষা চলছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রক তথ্য পর্যালোচনা করতে পারে বলে জানা গেছে। অনুমোদন পেলে, এন্টারোমিক্সকে বিশ্বের প্রথম ব্যক্তিগতকৃত mRNA ক্যান্সার ভ্যাকসিন হিসেবে বাজারে আনা হতে পারে।