ad
ad

Breaking News

Bangladesh-Pakistan

পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ! পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর ভারতের

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং ‘আইএসপিআর’-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খান ইসলামাবাদে পাকিস্তানের এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

Bangladesh-Pakistan Jet Deal; India Monitors

চিত্র: সংগৃহীত

Bangla Jago Desk: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান হাসান মাহমুদ খানের সাম্প্রতিক ইসলামাবাদ সফর এবং পাকিস্তান থেকে যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিষয়টির ওপর কড়া নজর রাখছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি (Bangladesh-Pakistan)।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং ‘আইএসপিআর’-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খান ইসলামাবাদে পাকিস্তানের এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং বিশেষ করে পাকিস্তানের তৈরি ‘জেএফ-১৭ থান্ডার’ (JF-17 Thunder) যুদ্ধবিমান ক্রয়ের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শীঘ্রই এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর।

শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রকের সাপ্তাহিক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন, “আমরা সমগ্র পরিস্থিতির ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছি। বিষয়টি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত।” কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সামরিক সখ্যতাকে ভারত বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে (Bangladesh-Pakistan)।

‘জেএফ-১৭ থান্ডার’ হল একটি হালকা ওজনের, সব ঋতুতে ব্যবহারযোগ্য বহুমুখী যুদ্ধবিমান। এটি পাকিস্তানের পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্স (PAC) এবং চীনের চেংডু এয়ারক্রাফট কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি। ৪.৫ প্রজন্মের এই বিমানটি আধুনিক এভিয়নিক্স এবং দীর্ঘ পাল্লার মারণাস্ত্র বহনে সক্ষম।

প্রতিরক্ষা ইস্যুর পাশাপাশি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলা নিয়েও ইউনুস প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিয়েছে ভারত। গত এক মাসে অন্তত পাঁচজন হিন্দুর মৃত্যু এবং মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “বাংলাদেশে চরমপন্থীদের দ্বারা সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলার প্রবণতা আশঙ্কাজনক। এই ধরনের সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিবাদ বলে এড়িয়ে গেলে অপরাধীরা আরও প্রশ্রয় পাবে।” হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, কেবল ডিসেম্বর মাসেই সংখ্যালঘুদের ওপর ৫১টি সহিংসতার ঘটনা নথিবদ্ধ হয়েছে। ভারত সাফ জানিয়েছে, এই ঘটনাগুলোকে কোনোভাবেই সংবাদমাধ্যমের অতিরঞ্জিত খবর হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না (Bangladesh-Pakistan)।